• রবিবার, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৭ রাত

সরকারি চিকিৎসকের বাসা থেকে এক মণ মা ইলিশ জব্দ!

  • প্রকাশিত ০৬:৫৩ সন্ধ্যা অক্টোবর ২৮, ২০১৯
মানিকগঞ্জ ইলিশ
সোমবার মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশিকুর রাহমানের বাসভবন থেকে ইলিশ জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঢাকা ট্রিবিউন

জব্দ করা ইলিশ জেলা কারাগারে বিতরণ করা হয়েছে

সরকারি বাসভবনের রেফ্রিজারেটরে মা ইলিশ মজুদ করার অপরাধে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশিকুর রাহমানকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। 

সোমবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে ওই চিকিৎসককে জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ বি এম আরিফুল হক।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রজনন মৌসুম চলায় চলতি মাসের ৯ থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত মা ইলিশ ধরার ও সংরক্ষণ, বিপণন, পরিবহন আইনত দণ্ডনীয় ঘোষণা করে সরকার। সরকারের এ নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আশিকুর রহমান বিপুল পরিমাণ ইলিশ কিনে তার সরকারি বাসভবনের রেফ্রিজারেটরে মজুত করে রেখেছেন, গোপন সূত্রে এমন অভিযোগ পান জেলা প্রশাসক এস এম ফেরদৌস। 

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে সোমবার বেলা ২টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবরিনা শারমিন ডা. আশিকুরের বাসভবনে অভিযান চালান। তল্লাশি করে বাসার একটি রেফ্রিজারেটরে পাওয়া যায় এক মণ মা ইলিশ। কিছুক্ষণ পরে সেখান থেকে চলে যান ইউএনও।

ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ইউএনও চলে যাওয়ার পর বেলা আড়াইটার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ বি এম আরিফুল হক এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ওই বাসায় যান।

নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে মা ইলিশ কিনে মজুত করার অপরাধ ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে স্বীকার করেছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আশিকুর রাহমান। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবিএম আরিফুল হক মৎস্য সংরক্ষণ আইনে ওই চিকিৎসককে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল হক জানান, জরিমানার অর্থ নগদ পরিশোধ করেছেন ওই চিকিৎসক। জব্দ করা এক মণ ইলিশ জেলা কারাগারে বিতরণ করা হয়েছে।

সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মা ইলিশ মজুত ও অর্থদণ্ড পাওয়ার বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন আনোয়ারুল আমিন আখন্দ বলেন, এ ঘটনায় তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে।