• বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৮ রাত

প্রধানমন্ত্রী: পেঁয়াজ ছাড়াও রান্না করা যায়

  • প্রকাশিত ০৬:৫০ সন্ধ্যা অক্টোবর ২৯, ২০১৯
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: ফোকাস বাংলা

এ সময় রসিকতা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পেঁয়াজ না খেলে কী হয়?”

সাম্প্রতিক সময়ে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সমস্যাকে সাময়িক আখ্যায়িত করে বলেছেন, এটি নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।

জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) ১৮তম সম্মেলন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সদ্য সমাপ্ত আজারবাইজান সফর নিয়ে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “এ সমস্যা সাময়িক। এটি বেশি দিন থাকবে না। চিন্তার কিছু নেই।”

এ সময় রসিকতা করে শেখ হাসিনা বলেন, “পেঁয়াজ না খেলে কী হয়?”

তিনি বলেন, “পেঁয়াজ ছাড়াও কিন্তু রান্না হয়, আমি করি, আমাদের বাসায় করে। অনেক তরকারি আছে, যা পেঁয়াজ ছাড়াও রান্না করা যায়। কাজেই পেঁয়াজ নিয়ে এত অস্থির হওয়ার কী আছে, আমি জানি না।”

প্রধানমন্ত্রী জানান,বিদেশ থেকে দেশে ৫৫ হাজার টন পেঁয়াজ আসছে।

আড়তদারদের দ্বারা পেঁয়াজ মজুদ করে রাখা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পেঁয়াজ কিন্তু অলরেডি আছে। তাছাড়া পত্রিকাতেই খবর আসছে যে অনেক স্থানে পেঁয়াজ রয়ে গেছে। কিন্তু তারা কেন বাজারে ছাড়ছে না?

“যারা এখন মজুদ করে রেখেছে, তারা কতদিন ধরে রাখতে পারবে, সেটাই বড় কথা। কারণ পেঁয়াজ কিন্তু পচে যায় আবার। সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে গিয়ে তাদের লোকসানই হবে, লাভ হবে না।”

গত সোমবার বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি জানান, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে মিশর থেকে ৭-৮ হাজার টন পেঁয়াজ আনা হবে।

সেই সাথে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, বাজারে প্রচুর পেঁয়াজ রয়েছে, প্রতিদিন আমদানিকৃত পেঁয়াজ আসছে, দু-একদিনের মধ্যে বড় আমদানির চালান দেশে পৌঁছাবে। ভোক্তাদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই,পেঁয়াজের দাম দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

দাম কম ও সহজ পরিবহনের কারণে বাংলাদেশে সাধারণত ভারত থেকে প্রয়োজনীয় পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। কিন্তু এ বছর দেশটির মহারাষ্ট্র ও অন্য এলাকায় বন্যার কারণে পেঁয়াজের ফলন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ভারত কর্তৃপক্ষ নিজেদের চাহিদা মেটাতে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করে।