• সোমবার, নভেম্বর ১৮, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:২৭ দুপুর

উপাচার্সযহ সকল কর্মকর্তার পদত্যাগের দাবিতে পাবনা প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

  • প্রকাশিত ০৯:৪৫ রাত অক্টোবর ৩০, ২০১৯
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
উপাচার্যসহ সকল কর্মকর্থার পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরতঁ পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়েছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা

১২ দফা দাবি না মানায় এবার উপাচার্য ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সকল কর্মকর্তার পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। 

বুধবার (৩০ অক্টোবর) দুপুর দাবি পূরণের পূর্বঘোষিত আল্টিমেটামের সময়সীমা পার হওয়ায় এক দফা দাবি জানান তারা। সেই দাবিতে তৃতীয়দিনের মতো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তাদের সঙ্গে সংহতি জানিয়েছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

শিক্ষার্থীরা জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফাঁস হওয়া উপাচার্যের সঙ্গে নিয়োগ প্রার্থী এক যুবকের অডিও বিষয়ে স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন, তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে করা শোকজ নোটিশ প্রত্যাহার, প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টার পদত্যাগ, রিজেন্ট বোর্ডে নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধি রাখা, ছাত্র-শিক্ষকদের জন্য গবেষণা বরাদ্দ, খেলার মাঠ উপযোগী, শহীদ মিনার নির্মাণ, গরীব শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ বা বিনাবেতনে অধ্যায়ন, ছাত্র কল্যাণ ফান্ড গঠন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষক হিসেবে পদায়ন, শিক্ষার্থীদের তথ্য সমৃদ্ধ যুগোপযোগী ওয়েবসাইট তৈরি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় কৃতজ্ঞতা স্বরূপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাস্কর্য নির্মাণ এই ১২ দফা দাবি জানানো হয় মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর)।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে পাবনা সদর আসনের সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক প্রিন্স শিক্ষার্থী ও উপাচার্যের সঙ্গে কথা বলেন।

পরে তার আহবানে মঙ্গলবার উপাচার্য এম রোস্তম আলীর সঙ্গে বৈঠকে বসে শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল। বৈঠকে উপাচার্য দাবী পূরণের মৌখিক আশ্বাস দিলেও শিক্ষার্থীরা লিখিত প্রতিশ্রুতি দাবি করেন। 

দাবির বিষয়ে লিখিত বিজ্ঞপ্তি না পাওয়ার কারণে দ্রুততম সময়ের মধ্যে উপাচার্য ড. এম রোস্তম আলীসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পদত্যাগ দাবি করেন শিক্ষার্থীরা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস-পরীক্ষা স্বাভাবিক রেখে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচী পালনেরও ঘোষণা দেন তারা। 

তবে, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি উপাচার্য।

উল্লেখ্য, গত সোমবার থেকে প্রথমে চার দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার চার দফা থেকে সরে এসে ১২ দফা দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করে তারা।