• বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৮ রাত

তুরস্ক-মিসর থেকে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ আসছে

  • প্রকাশিত ১২:৫৮ দুপুর নভেম্বর ২, ২০১৯
পেঁয়াজ
প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ ভারত থেকে আমদানি করা হয়। ছবি: পিক্সাবে

যদিও আমদানিকৃত এসব পেঁয়াজ জাহাজে সিঙ্গাপুর হয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে সময় লাগবে ২ সপ্তাহের বেশি

প্রতিবেশী দেশ ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার পর গত একমাসে পেঁয়াজের কেজি চারগুণ বেড়ে এখন ১৩০ টাকায় ঠেকেছে। মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ এনেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাচ্ছে না। প্রতিদিনই কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা করে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম। এই অবস্থায় দেশের ৫টি বড় শিল্প গ্রুপকে পেঁয়াজ আমদানির অনুরোধ জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

সরকারের নির্দেশনা পাওয়ার পর প্রতিটি শিল্প গ্রুপ মিসর ও তুরস্ক থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন করে পেঁয়াজ আমদানির এলসি পত্র খুলেছে বলে জানা গেছে। যদিও আমদানিকৃত এসব পেঁয়াজ জাহাজে সিঙ্গাপুর হয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে সময় লাগবে ২ সপ্তাহের বেশি।

চট্টগ্রাম এস আলম গ্রুপের মহা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আকতার হাসান বলেন, “সরকারের পরামর্শে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ মিসর থেকে আমাদের বাজারে এসে পৌঁছাবে। আশাকরি পেঁয়াজ বাজারে আসার পর দাম নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।”

ক্যাবের দাবি পেঁয়াজ সংকট মোকাবেলায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যেমন যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারেনি, তেমনি কার্যকর কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি টিসিবি'ও।

চট্টগ্রাম ক্যাব’র সভাপতি এসএম নাজের হোসেন বলেন, যদি টিসিবি’কে মাঠে রাখা যেতো পেঁয়াজের সংকট এতদূর গড়াতে পারতো না।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে বছরে প্রায় ৩০ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজের চাহিদা রয়েছে। এর ৪০ শতাংশ দেশে উৎপাদিত হয়। বাকি ৬০ শতাংশের সিংহভাগই আসে ভারত থেকে। ভারত গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ায় দেশে ভয়াবহ সংকট দেখা দেয়।