• শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:২৬ দুপুর

স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দেশেই অত্যাধুনিক মানের ব্লাড ব্যাংক স্থাপন করা হবে

  • প্রকাশিত ০৫:১৫ সন্ধ্যা নভেম্বর ২, ২০১৯
জাহিদ মালেক
শনিবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরোনোত্তর চক্ষুদান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সভায় বক্তব্য রাখেন জাহিদ মালেক। বাসস

'সময়মত রক্তের অভাবে অনেক মানুষ অকালে মৃত্যুবরণ করেন, তাই সরকারিভাবেও এ বিষয়টি গুরুত্বসহ বিবেচনা না করার কোনো উপায় নেই'

দেশে খুব শীঘ্রই উন্নত ও অত্যাধুনিক মানের সরকারি ব্লাডব্যাংক সেন্টার স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

শনিবার (২ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরোনোত্তর চক্ষুদান দিবস উপলক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত ও সন্ধানী পরিষদের সহোযোগিতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, "দেশে প্রতিদিনই নানা জায়গায় নানা দুর্ঘটনায় জরুরি রক্তের প্রয়োজন হয়। সময়মত রক্তের অভাবে অনেক মানুষ অকালে মৃত্যুবরণ করেন। এক্ষেত্রে সন্ধানী অনেক কাজ করছে। তবে সরকারিভাবেও এবিষয়টি গুরুত্বসহ বিবেচনা না করার কোনো উপায় নেই। কাজেই খুব দ্রুতই দেশে একটি অত্যাধুনিক ও উন্নতমানের ব্লাডব্যাংক সেন্টার স্থাপন করা হবে।"

এসময় মরণোত্তর চক্ষুদানের গুরুত্ব তুলে ধরে জাহিদ মালেক আরও বলেন, "বিশ্বে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় ২৯ কোটি। এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে অন্ধ মানুষের সংখ্যা প্রায় ১৪ লাখ। এদেরমধ্যে শুধু কর্নিয়াজনিত কারণে অন্ধত্ববরণ করছেন প্রায় ৫ লাখ মানুষ। প্রতিবছর দেশের ৪০ হাজার মানুষ অন্ধ হচ্ছেন। একজন মানুষের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর মধ্যে চোখ সবচেয়ে বেশি জরুরি একটি সম্পদ। মানুষ যখন মারা যায় তখন চোখের মত এত গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ যাতে নষ্ট না হয়, আরেকজন মানুষের দৃষ্টি ফিরে পায় একারণে সবাইকে মরণোত্তর চক্ষুদানে এগিয়ে আসতে হবে।"

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক হাবিবে মিল্লাত এমপি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)-এর উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কণক কান্তি বড়ুয়া,স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সিরাজুল ইসলামসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।