• সোমবার, নভেম্বর ১৮, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:৩৪ দুপুর

সেই বনরুইটিকে ছেড়ে দেওয়া হলো লাউয়াছড়ায়

  • প্রকাশিত ০৮:৫৮ রাত নভেম্বর ৪, ২০১৯
বনরুই
বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের সদস্যরা বনরুইটিকে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করে। সৌজন্য

এ নিয়ে চলতি বছর শুধু কুড়িগ্রাম থেকেই চারটি বনরুই উদ্ধার করা হয়

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলা উদ্ধারকৃত বনরুইটি (Pangolin) মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ বন বিভাগের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের সদস্যরা প্রাণীটিকে লাউয়াছড়ার জানকিছড়া বিটে অবমুক্ত করেন।

এ সময় মৌলভীবাজার বন্যপ্রাণী রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মোনায়েম আহমেদ, বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের সঞ্জয় বন্দ ও রফিকুল ইসলাম ছাড়াও স্থানীয় বন কর্মকর্তা ও সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিচালক এ. এস. এম. জহির উদ্দিন আকন ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “আমাদের দেশের বরেন্দ্র অঞ্চল, পাবর্ত্য চট্টগ্রাম ও লাউয়াছড়ার বনে এক সময় প্রচুর বনরুই দেখা যেত। কিন্তু সময়ের আর্বতনে বন ধ্বংস, জনবসতি স্থাপন, পাচার ও শিকারের কারণে প্রাণীটি হারিয়ে যেতে বসেছে। তাই প্রাণীটি পাচারের বিরুদ্ধে বন বিভাগ শক্ত অবস্থান নিয়েছে।”


আরো পড়ুন - কুড়িগ্রাম সীমান্ত এলাকা থেকে বিরল প্রজাতির বনরুই উদ্ধার


এর আগে গত ৩১ অক্টোবর রাতে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা থানার পূর্বকেদার সীমান্ত এলাকা থেকে পাচারের সময় বনরুইটি উদ্ধার করে পুলিশ।

পরদিন ১ নভেম্বর বনরুইটিকে নাগেশ্বরী বন কর্মকর্তা সাদিকুর রহমান শাহীনের নিকট হস্তান্তর করা হয়। খবর পেয়ে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের সদস্যরা ২ নভেম্বর সেটিকে ঢাকায় নিয়ে আসে।

উল্লেখ্য, এ নিয়ে চলতি বছর শুধু কুড়িগ্রাম থেকেই চারটি বনরুই উদ্ধার করা হয়। এর আগে গত ২৩ মে একই ইউনিয়নের কাশেম বাজার এলাকার আব্দুর রশিদের বাড়ি থেকে এবং ৮ সেপ্টেম্বর নাগেশ্বরীর হাসেমবাজার এলাকা থেকে একটি করে মোট দুটি বনরুই উদ্ধার করে পুলিশ। এসব বনরুইগুলো পরবর্তী সময়ে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করা হয়।


আরো পড়ুন - শকুন সংরক্ষণে বাংলাদেশ, কী করছে সরকার?