• সোমবার, নভেম্বর ১৮, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:৩৪ দুপুর

জাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা

  • প্রকাশিত ০১:৪৭ দুপুর নভেম্বর ৫, ২০১৯
জাবি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।ঢাকা ট্রিবিউন

শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. জুয়েল রানা বলেন, 'আমরা শিবিরমুক্ত ক্যাম্পাস চাই। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে শিবির সংশ্লিষ্টতার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল'

দুর্নীতির অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণ দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে সোয়া ১২টা পর্যন্ত উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থানরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর এ হামলা চালানো হয়। হামলায় শিক্ষার্থী, সাংবাদিকসহ অন্তত ২৫ জনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে গতকাল সোমবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও করে রেখেছিলেন "দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর" ব্যানারে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। 

জানা গেছে, দুপুর পৌনে ১২টায় দিকে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. জুয়েল রানার নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে এসে আন্দোলনরতদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ। হামলা চলাকালে উপাচার্যের বাসভবনের নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশকে নীরব ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়। এছাড়া উপাচার্যপন্থী শিক্ষক-কর্মকর্তাদের "ধর ধর", "জবাই কর" স্লোগান দিতে দেখা যায়। 

হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. জুয়েল রানা বলেন, "আমরা শিবিরমুক্ত ক্যাম্পাস চাই। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে শিবির সংশ্লিষ্টতার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল।"

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আশুলিয়া থানা পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, "উভয়পক্ষেই ছাত্র-শিক্ষক রয়েছেন। আমরা কারও ওপর হাত তুলতে পারি না। তারা নিজেদের ভুল বুঝে নিজেদের মতো সমাধান করবে।"

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) আ.স.ম. ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, "ঘটনাস্থলে মব (বিশৃঙ্খলা) তৈরি হয়েছিল। চেষ্টা করেও আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। বড় ঘটনা এড়াতে আমরা তৎপর আছি।"

এ সময় কোনো শিক্ষার্থী আহত হওয়ার খবর জানেন না বলে দাবি করেন প্রক্টর।