• শনিবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫২ রাত

উপাচার্য অপসারণের দাবিতে জাবিতে বিক্ষোভ

  • প্রকাশিত ১১:৫৭ সকাল নভেম্বর ৬, ২০১৯
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যাল জাবি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি দেয়ালচিত্র।ঢাকা ট্রিবিউন

বিক্ষোভ মিছিল শেষে পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সামনে 'উপাচার্য অপসারণ মঞ্চে' সংহতি সমাবেশ হবে। সেখানে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানান বিক্ষোভকারীরা

উপাচার্য ড. ফারজানা ইসলামের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (৬ নভেম্বর) সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ও মানবিকী অনুষদের পাশে মুরাদ চত্বরে অবস্থান নেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় বিক্ষোভ মিছিলটি বের করেন তারা। এসময় মঙ্গলবার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের হামলার বিষয়ে নিন্দা ও শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা।


আরও পড়ুন - ছাত্রলীগের ‘গণঅভ্যুত্থানে’ কৃতজ্ঞ জাবি ভিসি ফারজানা 


শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বিক্ষোভ মিছিল শেষে পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সামনে 'উপাচার্য অপসারণ মঞ্চে' সংহতি সমাবেশ হবে। সেখানে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। এদিকে, হল ছাড়ার নির্দেশের পরও রাতে হলে অবস্থান করা ছাত্রীদের অনেকেই মঙ্গলবার সকালে হল ছাড়েন। একাধিক ছাত্রী জানান, হল ছাড়তে হল প্রশাসন তাদের চাপ প্রয়োগ করছে। 


আরও পড়ুন - হলের তালা ভেঙ্গে বিক্ষোভে জাবি ছাত্রীরা


প্রসঙ্গত, দুর্নীতির অভিযোগে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে বেশ কিছু দিন ধরেই আন্দোলন চলছে। এরই প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে আন্দোলনকারী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। হামলায় ৮ জন শিক্ষকসহ অন্তত ২৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. জুয়েল রানার নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে এসে আন্দোলনরতদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ। 

হামলা চলাকালে উপাচার্যের বাসভবনের নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশকে নীরব ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়। এছাড়া উপাচার্যপন্থী শিক্ষক-কর্মকর্তাদের “ধর ধর”, “জবাই কর” স্লোগান দিয়ে হামলায় উস্কানি দিতে দেখা গেছে।

এরপর অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের ঘোষণা দেন প্রশাসন। একইদিন বিকাল পাঁচটার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশও দেওয়া হয়।