• শুক্রবার, নভেম্বর ১৫, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৬ রাত

সভা-সমাবেশে জাবি প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা, আন্দোলনকারীদের প্রত্যাখ্যান

  • প্রকাশিত ১০:২২ রাত নভেম্বর ৬, ২০১৯
জাবি আন্দোলন
জাবি উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চলছে আব্দুল্লাহ আলিফ/ঢাকা ট্রিবিউন

'‌এই ভিসি যেহেতু অবৈধ ফলে তার প্রশাসনের সমস্ত সিদ্ধান্ত অবৈধ, হল ভ্যাকেন্ট করে সব শিক্ষার্থীকে বের করে দিয়ে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপদে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে চায়'

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাসে সব ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল কিংবা কোনো অফিস বা আবাসিক এলাকায় শিক্ষার্থীদের অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে প্রশাসনের এমন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (৬ নভেম্বর) রাত ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সালাম সাকলাইন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৬ নভেম্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস ও পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীরা আবাসিক হলসমূহ ত্যাগ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরের দোকানপাটও বন্ধ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করেন, এ সময়ে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে কোনো শিক্ষার্থীর অবস্থান সমীচীন নয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বাইরে এবং ভেতরে অবস্থানরত কোনো শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে সভা-সমাবেশ, মিছিল করতে পারবে না। এছাড়া কোনো অফিস বা আবাসিক এলাকায় অবস্থান করতে পারবে না।


আরও পড়ুন - জাবি ভিসির বাসভবনের সামনে কনসার্টের ঘোষণা


বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনারোধ এবং সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও দায়িত্বশীল আচরণ করার জন্য বিজ্ঞপ্তিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তবে এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখান করে আগামীকাল দুপুর ১২ টায় পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সামনে জমায়েত ও বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। এছাড়া, সন্ধ্যায় উপাচার্যের বাসভবনের সামনে প্রতিবাদী কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে।

সভা-সমাবেশ-মিছিল প্রত্যাখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশ উপেক্ষা করে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট (মার্ক্সবাদী) জাবি শাখার সভাপতি মাহাথির মুহাম্মদ বলেন, “আমরা এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখান করেছি। আমরা বলতে চাই, এই ভিসি যেহেতু অবৈধ ফলে তার প্রশাসনের সমস্ত সিদ্ধান্ত অবৈধ, হল ভ্যাকেন্ট করে সব শিক্ষার্থীকে বের করে দিয়ে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপদে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে চায়।”