• রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:০১ দুপুর

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল: মোংলা ও পায়রায় ১০ নম্বর মহা বিপৎসংকেত

  • প্রকাশিত ০৯:৩১ সকাল নভেম্বর ৯, ২০১৯
ঘুর্ণিঝড় বুলবুল
ঘুর্ণিঝড় বুলবুলের গতিপথ। সংগৃহীত।

এছাড়া চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৯ নম্বর মহা বিপৎসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে

বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী শনিবার (৯ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর বাংলাদেশ ও ভারতের উপকূলে আঘাত হানতে পারে এ ঘূর্ণিঝড়টি। এ কারণে সকাল থেকেই মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে ১০ নম্বর মহা বিপৎসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া ঘূর্ণিঝড় বুলবুল ও চাঁদের অবস্থানগত কারণে দেশের উপকূলীয় জেলাগুলোতে নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিকের চেয়ে সাত ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বাংলাদেশ আবহাওয়া বিভাগের (বিএমডি বা বাংলাদেশ মেট্রোলজিক্যাল ডিপার্টমেন্ট) বিজ্ঞানীদের দেয়া তথ্যানুযায়ী উপকূলীয় জেলাসমূহ সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, ভোলা, বরগুনা, পিরোজপুর, নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, খুলনা, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলায় ১০ নম্বর মহা বিপৎসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম সমুন্দ্রবন্দরে ৯ নম্বর ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৪ নং বিপৎসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।


আরও পড়ুন -  ঘূর্ণিঝড় বুলবুল: ১৩ জেলার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল


শনিবার সকাল পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৫১০ কিলোমিটার ৫২০ দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এর অগ্রবর্তী অংশের প্রভাবে সমুদ্রবন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় আজ দুপুর থেকে দমকা/ঝড়ো হাওয়া অব্যাহত পারে।

ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে ঝোড়ো হাওয়ার আকারে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১শ’ কিলোমিটার যা দমকা ও ঝড়ো হাওয়া আকারে ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি বাংলাদেশ অংশে পটুয়াখালীর খেপুপাড়া এবং ভারতে সাগরদ্বীপের মাঝখানে আছড়ে পড়তে পারে।

বাংলাদেশের আবহাওয়াবিদ আবদুর রহমান খান জানান, ঘূর্ণিঝড়টি শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে মাঝরাতের মধ্যে বাংলাদেশের খুলনা-বরিশাল অঞ্চলের ওপর আঘাত হানতে পারে। এর একটি অংশ ভারতের সুন্দরবন পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। তবে উপকূলে আঘাত হানার আগে কিছুটা দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা আছে।