• রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:০১ দুপুর

খুলনায় আড়াই লাখেরও বেশি মানুষের আশ্রয়হীন থাকার আশংকা

  • প্রকাশিত ০১:০১ দুপুর নভেম্বর ৯, ২০১৯
খুলনা
মহা বিপৎসংকেত ঘোষণার পর টানানো লাল পতাকা। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন

খুলনায় ৩৪৯টি আশ্রয় কেন্দ্রে থাকতে পারবে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯৫০ মানুষ, কিন্তু এ জেলায় বিপদাপন্ন জনগোষ্ঠী রয়েছে ৫ লাখ ১৭ হাজার ২৩৫ জন

খুলনা জেলার ৩৪৯টি আশ্রয় কেন্দ্রে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯৫০ জনের ধারণ ক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু এ জেলায় বিপদাপন্ন রয়েছে ৫ লাখ ১৭ হাজার ২৩৫ জন। যার মধ্যে বুলবুলের প্রভাবে আশ্রয়হীন থাকতে পারেন ২ লাখ ৭৮ হাজার ২৮৫ মানুষ। খুলনা জেলা প্রশাসনের দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন বলেন, “জেলার ৭টি উপজেলায় ১৪ লাখ ৫১ হাজার ১৩০ জন মানুষ রয়েছে। এদের সবাইকে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে আহবান জানানো হয়েছে। এ জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। সাড়ে ৩ হাজার স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীও তৎপর রয়েছে।” এছাড়া পর্যাপ্ত শুকনো খাবার মজুদ রাখা হয়েছে বলেও তিনি জানান।


আরও পড়ুন -  বিকেল ৫ টার দিকে সুন্দরবনে আঘাত হানতে পারে ‘বুলবুল’


জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, খুলনার ৩৪৯টি আশ্রয় কেন্দ্রের মধ্যে সরকারি (সাধারণ) ২৫০টি,  সরকারি (বিশেষ সুবিধা সম্পন্ন) ২৪টি, বেসরকারী ৭৫টি রয়েছে। এসব আশ্রয় কেন্দ্রের মধ্যে দাকোপ উপজেলায় ৮৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৬২ হাজার ২৫০ জন, বটিয়াঘাটা উপজেলায় সাতাশটি আশ্রয় কেন্দ্রে ১৫ হাজার জন, পাইকগাছা উপজেলায় ৩২ টি আশ্রয় কেন্দ্রে ২৬ হাজার ২৫০ জন, কয়রা উপজেলায় ১২১টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৮৭ হাজার, ডুমুরিয়া উপজেলায় ২৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১২ হাজার ৭৫০ জন, রূপসা উপজেলায় ২৯টি আশ্রয় কেন্দ্রে ২০ হাজার ৩০০ জন ও তেরখাদা উপজেলায় ২২টি আশ্রয় কেন্দ্রে ১৫ হাজার ৪০০ জন অবস্থান নিতে পারবে।


আরও পড়ুন -  ঘূর্ণিঝড় বুলবুল: মোংলা ও পায়রায় ১০ নম্বর মহা বিপৎসংকেত


এছাড়া বিপদাপন্ন দরিদ্র মানুষের মধ্যে দাকোপে ৯৫ হাজার ৬১৯ জন, বটিয়াঘাটায় ৮৬ হাজার জন, রূপসায় ৭৬ হাজার ৫৮৫ জন, ফুলতলায় ৩১ হাজার ৯৮৬ জন, কয়রায় ৭০ হাজার ৫৬৩ জন, পাইকগাছায় ৮৮ হাজার ৬৭২ জন, তেরখাদায় ৩২ হাজার ৩৫৪ জন ও ডুমুরিয়ায় ৬৬ হাজার ৬৪২ জন রয়েছে।

দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, “দকোপের বিপদাপন্ন সকল মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিতে অস্থায়ী কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য দাকোপে আশ্রয় কেন্দ্র হয়েছে ১০৫ টি।”