• রবিবার, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:৫৩ সকাল

দেরিতে আসা পরীক্ষার্থীকে ‘মানবিক বিবেচনায়’ হলে ঢুকতে দিলো কুবি প্রশাসন

  • প্রকাশিত ০২:০৯ দুপুর নভেম্বর ৯, ২০১৯
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

শনিবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির প্রথম বর্ষের 'সি' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) চলমান ভর্তি পরীক্ষায় প্রথমদিনের মতো দ্বিতীয় দিনেও দেরিতে আসা পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে ঢুকতে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। দুই দিনই ‘‘মানবিক বিবেচনা’’ ও ‘‘পরীক্ষা কেন্দ্রের পরিস্থিতি স্বাভাবিক’’ রাখার কারণ দেখিয়ে তাদেরকে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শনিবার (৯ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত মোট ৯ টি কেন্দ্রে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির প্রথম বর্ষের “সি” ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়েছিল “এ” ও “বি” ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা।

শনিবার পরীক্ষা চলাকালে ১০টা ৩২ মিনিটের দিকে তানজিলা তাসনিম রিফা নামে এক শিক্ষার্থী কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের, প্রক্টর ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন ওই ভর্তিচ্ছুকে “মানবিক বিবেচনায়” কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দেন।

এ বিষয়ে প্রক্টর ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ও মানবিক দিক বিবেচনায় তাকে পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া হয়।


আরও পড়ুন - কান্না করা শিক্ষার্থীকে ভর্তি পরীক্ষা দিতে দিলেন কুবি উপাচার্য


এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের জানান, সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা নেওয়ার স্বার্থে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে ওই শিক্ষার্থীর খাতা আলাদা পর্যবেক্ষণের জন্য কেন্দ্র পরিদর্শকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার নিয়ম রয়েছে। তবে শুক্রবারের (৮ নভেম্বর) “এ” ও “বি” ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের 'মানবিক বিবেচনায়' দুটি কেন্দ্রে ৩ জন শিক্ষার্থী নির্ধারিত পরীক্ষা শুরুর প্রায় আধঘন্টা পরেও পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পান। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, “ভর্তি পরীক্ষা বিশাল কর্মযজ্ঞ। এই ভর্তি পরীক্ষাকে ঘিরে কোনো ধরণের পাবলিক সিন তৈরি হোক তা আমরা চাই না। তাই মানবিক বিবেচনায় তাদের সুযোগ দিয়েছি। তাদের খাতাগুলোকে চিহ্নিত করে রাখার নির্দেশনা দিয়েছি।”