• বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩৮ রাত

কবর থেকে তোলা হলো নাঈমুল আবরারের মরদেহ

  • প্রকাশিত ০৪:৫২ বিকেল নভেম্বর ৯, ২০১৯
নাঈমুল আবরার
নাঈমুল আবরার রাহাত। ছবি: সংগৃহীত

কবর থেকে মরদেহ তোলার পর ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে

আদালতের নির্দেশে কবর থেকে তোলা হলো ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাঈমুল আবরার রাহাত এর মরদেহ।

শনিবার (৯ নভেম্বর) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে নোয়াখালী জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইলিশায় রিসিল-এর উপস্থিতিতে সোনাইমুড়ী উপজেলার ধন্যপুর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থান থেকে আবরারের মরদেহ উত্তোলন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নাঈমুলের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার পরিদর্শক মো. আব্দুল আলিমসহ ৪ পুলিশ সদস্য। মরদেহ উত্তোলনের সার্বিক তদারকি করেন সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা টিনা পাল ও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস সামাদ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জানান, লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৬ নভেম্বর ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর হাকিম মো. আমিনুল হক ময়নাতদন্তের জন্য নাঈমুল আবরারের মরদেহ কবর থেকে তোলার আদেশ প্রদান দেন।

গত ১ নভেম্বর ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজে দৈনিক প্রথম আলোর সাময়িকী "কিশোর আলোর" অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নাঈমুল আবরারের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় প্রথম আলো কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করে দৈনিকটির সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা করেন আবরারের বাবা মো. মুজিবুর রহমান। বাদীর জবানবন্দি নিয়ে আবরারের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত। আবরারের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের হওয়া অপমৃত্যু মামলার সঙ্গে তার বাবার নালিশি মামলাটি একত্রে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। আগামী ১ ডিসেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে মোহাম্মদপুর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর হাকিম।