• শুক্রবার, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:০২ দুপুর

নিরাপদে ফিরে এলেন সেন্টমার্টিনে আটকে থাকা পর্যটকরা

  • প্রকাশিত ০৯:৩৩ রাত নভেম্বর ১১, ২০১৯
সেন্টমার্টিন পর্যটক
ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে সেন্টমার্টিনে আটকে থাকা পর্যটকদের সোমবার সন্ধ্যায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে ঢাকা ট্রিবিউন

সন্ধ্যায় পর্যটকদের নিয়ে ৩টি জাহাজে নিরাপদে ফেরত এসেছে

সেন্টমার্টিন দ্বীপ ভ্রমণে গিয়ে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল-এর কারণে আটকে পড়া এক হাজার ২০০-রও বেশি পর্যটক নিরাপদে ফেরত এসেছেন। 

তিনটি জাহাজে করে সোমবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ৬টার দিকে টেকনাফ দমদমিয়া জেটি ঘাট হয়ে তাদেরকে ফিরিয়ে আনা হয়। আটকে পড়া পর্যটকদের সকাল সাড়ে ১০টার দিকে টেকনাফের দমদমিয়া ঘাট থেকে “কেয়ারি ক্রুজ অ্যান্ড ডাইন”, “ফারহান” ও “আটলান্টিক ক্রুজ” নামে তিনটি জাহাজ সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে রওনা দেয়।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘সেন্টমার্টিন দ্বীপে আটকে পড়া পর্যটকদের ফিরিয়ে আনার জন্য টেকনাফ থেকে তিনটি জাহাজ সেন্টমার্টিনে যায়। আটকে পড়া পর্যটকদের সার্বক্ষণিক খোঁজ নেওয়া হয়েছিল। তাদের থাকা-খাওয়ার ক্ষেত্রেও ছাড়ের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।”

তবে ঘূর্ণিঝড়ের কয়েকশ' স্থানীয় অধিবাসী টেকনাফে আটকে পড়লেও কেউ তাদের কোনো খোঁজ-খবর নেয়নি বলে জানান তিনি। বিষয়টি দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন চেয়াম্যান।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) টেকনাফ অঞ্চলের সমন্বয় কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন বলেন, ‘‘ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর প্রভাব অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে পর্যটকবাহী জাহাজসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে। আর তাই সেন্টমার্টিন দ্বীপে আটকে পড়া পর্যটকদের নিয়ে আসতে সকালে তিনটি জাহাজ পাঠানো হয়।”

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, সন্ধ্যায় পর্যটকদের নিয়ে ৩টি জাহাজে নিরাপদে ফেরত এসেছে।