• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৮ রাত

শাবি'তে ভর্তি হতে দিতে হচ্ছে ডোপ টেস্ট

  • প্রকাশিত ০৫:০৮ সন্ধ্যা নভেম্বর ১৩, ২০১৯
শাবিপ্রবি
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: ঢাকা ট্রিবিউন।

শুধুমাত্র ভর্তিচ্ছু নবীন শিক্ষার্থীরাই নন, ডোপ টেস্ট করা হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদেরকে। বাদ যাবেন না কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের ডোপ টেস্টের মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কোনো শিক্ষার্থী মাদকাসক্ত কিনা তা ডোপ টেস্টের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হবে। বছর জুড়েই এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। 

শুধুমাত্র ভর্তিচ্ছু নবীন শিক্ষার্থীরাই নন, ডোপ টেস্ট করা হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদেরকেও। বাদ যাবেন না কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও। পুরো ক্যাম্পাসকে মাদকমুক্ত করা হবে।

বুধবার (১৩ নভেম্বর) ঢাকা ট্রিবিউনের সঙ্গে একান্ত আলাপাচারিতায় এসব কথা জানিয়েছেন শাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

উপচার্য ফরিদ আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এবারই প্রথমবারের মতো ডোপ টেস্টের মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

ভর্তিচ্ছু কোনো শিক্ষার্থী মাদকাসক্ত হলে তাকে ভর্তি করানো হবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এমন ক্ষেত্রে ভর্তি করানো হবে। তবে ভর্তির পরে তাদেরকে কাউন্সেলিং এবং মনিটারিংয়ের মধ্যে রাখা হবে। সংশোধনের জন্য পর্যবেক্ষণও করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বরত মেডিকেল টিমই ডোপ টেস্টের কাজটি করবে এবং প্রয়োজনীয় খরচ বহন করবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়কে মাদকমুক্ত করতে পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী এবং কর্মরত শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকেও ডোপ টেস্টের আওতায় আনা হবে বলে জানান উপাচার্য।

ভর্তি পরীক্ষার শৃঙ্খলা উপ-কমিটির আহ্বায়ক ও প্রক্টর অধ্যাপক জহীর উদ্দিন আহমদ ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, ভর্তি কার্যক্রমের সময় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ডোপ টেস্ট করানো হচ্ছে। তবে মাদকাসক্ত হয়ে থাকলেও তাকে ভর্তি করিয়ে কাউন্সিলিংয়ের মাধ্যমে সুস্থ সুন্দর জীবনে ফিরিয়ে আনা হবে।

ভর্তি সংক্রান্ত যে কোনও তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট admission.sust.edu এবং ০১৫৫৫৫৫৫০০১-৪ নম্বরে যোগাযোগ করে জানা যাবে বলে জানান তিনি।