• শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১০ রাত

জাবি: ২১ নভেম্বরের মধ্যে হল খুলে দেওয়ার আল্টিমেটাম

  • প্রকাশিত ০৬:২৬ সন্ধ্যা নভেম্বর ১৩, ২০১৯
জাবি
বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ভবনে সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা ট্রিবিউন

আল্টিমেটাম না মানা হলে আগামী ২২ নভেম্বর রাজধানীর শাহবাগে সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) আন্দোলনকারীদের উপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদ, বিচার এবং আগামী ২১ নভেম্বরের মধ্যে হল খুলে দেওয়ার আল্টিমেটাম দিয়েছে আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। 

এ সময়ের মধ্যে দাবি না মানা হলে আগামী ২২ নভেম্বর রাজধানীর শাহবাগে সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে আল্টিমেটাম চলাকালে আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

বুধবার (১৩ নভেম্বর)  সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ছাত্র ইউনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম অনিক।


আরও পড়ুন - ভিপি নুর: প্রত্যেক ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া শুনে অবাক হই


আন্দোলনকারীরা বলেন, “এ হামলায় প্রত্যক্ষ মদদ দেওয়ার অপরাধে এই উপাচার্যের উপাচার্য পদে আসীন থাকার অধিকার নেই। তিনি এতেই ক্ষান্ত থাকেননি বরং হাজারো শিক্ষার্থীর দুর্ভোগ উপেক্ষা করে শুধুমাত্র নিজের গদিকে যেকোনো মূল্যে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় ও হল বন্ধ করে দিয়েছেন।”

তারা আরও বলেন, “শুধুমাত্র আর্থিক কেলেংকারী নয়, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপর হামলায় মদদ দেওয়া, অদক্ষ ও অযোগ্য ভারপ্রাপ্ত প্রশাসন দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ বাধাগ্রস্ত করা, সিনেট পূর্নাঙ্গ না করাসহ বিভিন্ন কারণে এই মহূর্তে উপাচার্যের অপসারণ জরুরি। এটাই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার একমাত্র পথ। আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো।”

এ সময় আগামী ২১ নভেম্বরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল খুলে দিয়ে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানানো হয়।


আরও পড়ুন - ‘জাবি ভিসির দুর্নীতির যথেষ্ঠ তথ্য-প্রমাণ রয়েছে’


সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনের মুখপাত্র দর্শন বিভাগের অধ্যাপক রায়হান রাইন, মোহাম্মদ কামরুল আহসান, পরিবেশ বিজ্ঞানের অধ্যাপক খবির উদ্দীন, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক তারেক রেজা, অধ্যাপক শামীমা সুলতানা, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের (মার্ক্সবাদী) সভাপতি মাহাথির মোহাম্মদ, জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম পাপ্পু, ছাত্র ইউনিয়নের সহ সভাপতি অলিউর রহমান সান, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি সুস্মিতা মরিয়ম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে প্রায় দুই মাস যাবৎ আন্দোলন করছেন শিক্ষক শিক্ষার্থীদের একাংশ। গত ৫ নভেম্বর উপাচার্যের বাসভবন অবরুদ্ধ করায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ আন্দোলনকারীদের উপর হামলা করে। এ হামলায় শিক্ষক শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকসহ ৩৫ জন আহত হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়।