• শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৬ রাত

প্রধানমন্ত্রী: রোহিঙ্গা সমস্যার জন্য দায়ী জিয়াউর রহমান

  • প্রকাশিত ০৯:৩৫ সকাল নভেম্বর ১৪, ২০১৯
প্রধানমন্ত্রী
সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি

‘জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর বাংলাদেশে হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু হয় এবং এরপরে পার্বত্য চট্টগ্রামে সমস্যাটাও সৃষ্টি হয় ’৭৬-’৭৭ সালে। আর ’৭৮ সালে এই রোহিঙ্গা সমস্যা শুরু হয়’

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা সমস্যা সৃষ্টির জন্য সাবেক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমানকে অভিযুক্ত করেছেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রোহিঙ্গা সমস্যা সৃষ্টির পেছনে জিয়াউর রহমানের হাত রয়েছে, এতে কোন সন্দেহ নেই।”

বুধবার (১৩ নভেম্বর) জাতীয় সংসদের পঞ্চম অধিবেশনে নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তরিকত ফেডারেশনের সংসদ সদস্য নজিবুল বাশার মাইজভান্ডারীর এক সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একটা বিষয় যদি আপনারা লক্ষ্য করেন ’৭৫ এ জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর বাংলাদেশে হত্যা, ক্যু ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু হয় এবং এরপরে পার্বত্য চট্টগ্রামে সমস্যাটাও সৃষ্টি হয় ’৭৬-’৭৭ সালে। আর ’৭৮ সালে এই রোহিঙ্গা সমস্যা শুরু হয়। এটাই বাস্তবতা।”

বর্তমান সরকার যেকোন সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানে বিশ্বাসী উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা এধরনের উদ্যোগও নিয়েছি।”

যারা এধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে তাদের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে শেখ হাসিনা বলেন, “আমি একটা কথা স্পষ্টভাবে বলতে চাই- বাংলাদেশের মাটি থেকে প্রতিবেশী কোন দেশে কেউ কোন রকমের দেশবিরোধী বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ দেওয়া হবে না। কোন সন্ত্রাসীর স্থান বাংলার মাটিতে হবে না, এটা আমরা নিশ্চিত করেছি।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অতীত সরকারগুলো যা করেছিল, এদেরকে আমরা এদেশ থেকে বিতাড়িত করেছি এবং বাংলাদেশ সবসময় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়। সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়-এই নীতিতেই আমরা বিশ্বাস করি।”

সরকার দলীয় সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকারের অপর এক প্রশ্নের উত্তরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ভারত ও চীনের ভূমিকা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আমরা আমাদের এই প্রতিবেশী দু’টি দেশের সঙ্গে ইতোমধ্যে আলোচনা করেছি এবং এবিষয়ে তাদের সক্রিয় ভূমিকা আশা করছি।”