• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:০৬ বিকেল

শর্ত মানলে বিটিআরসিকে ২০০ কোটি টাকা দিতে রাজি গ্রামীণফোন

  • প্রকাশিত ০৭:৫১ রাত নভেম্বর ১৪, ২০১৯
গ্রামীণফোন

আগামী সোমবার এই বিষয়ে আদেশ দেবে আদালত

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কাছে পেশ করা শর্তগুলো মানলে তাদেরকে ২০০ কোটি টাকা দিতে রাজি আছে বলে জানিয়েছে গ্রামীণফোন।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) সকালে এই মামলার শুনানি চলাকালে এই কথা জানান গ্রামীণফোনের আইনজীবী ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস এই কথা বলেন। শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ আগামী সোমবার এ বিষয়ে আদেশ দেওয়ার দিন ধার্য করেন।

এর আগে সকালে শুনানি শুরু হলে গ্রামীণফোনের আইনজীবী ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস আদালতকে বলেন, "গত ৩ অক্টোবর অর্থ মন্ত্রণালয় এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সঙ্গে বসে আমরা কিছু শর্ত দিয়েছি। তারা শর্তগুলো মানলে আমরা ২০০ কোটি টাকা দিতে রাজি আছি।"

তবে বিটিআরসির আইনজীবী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, "পাওনা টাকার অর্ধেক আপাতত দিক। এরপর কমিটির মাধ্যমে বাকি অর্থ আদায়ের ব্যাপারে আলোচনা হতে পারে।" অন্যথায় গ্রামীণফোনের কাছে পাওনা ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা আদায়ের ওপর নিষেধাজ্ঞার আদেশ স্থগিতের দাবি জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, গত ২৪ অক্টোবর ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকার মধ্যে গ্রামীণফোন আপাতত বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) কত টাকা দিতে পারবে তা জানাতে বলে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

গত ১৭ অক্টোবর গ্রামীণফোনের কাছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) পাওনা ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা আদায়ের ওপর দুই মাসের অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা দেয় হাইকোর্ট।

বিচারপতি আবদুল হাকিম ও বিচারপতি ফাতেমা নজীবের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে এই আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে বিটিআরসি।

প্রায় ২৭টি খাতে ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা দাবি করে গ্রামীণফোনকে গত ২ এপ্রিল চিঠি দেয় বিটিআরসি। এই চিঠির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অর্থ আদায়ের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে গ্রামীণফোন নিম্ন আদালতে একটি মামলা করে। এরপর গত ২৮ আগস্ট নিম্ন আদালত গ্রামীণের অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন নামঞ্জুর করে। পরে ওই নামঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে গ্রামীণফোন।

আপিলটি শুনানির জন্য গ্রহণ করে দুই মাসের জন্য গ্রামীনফোনের কাছ থেকে টাকা আদায়ে নিষেধাজ্ঞা দেয় আদালত।