• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:৫৪ দুপুর

গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন নিপীড়ন, সহকারী প্রক্টরের পদ স্থগিত

  • প্রকাশিত ১০:৪৭ সকাল নভেম্বর ১৮, ২০১৯
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

গত ১৩ নভেম্বর সহকারী প্রক্টর মো. হুমায়ূন কবিরের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩য় বর্ষের এক নেপালী শিক্ষার্থী যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেন

গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. হুমায়ূন কবিরকে যৌন হয়রানীর অভিযোগে সহকারী প্রক্টরের পদ স্থগিত করা হয়েছে। 

রবিবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. নূরউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই আদেশ প্রদান করা হয়। 

এছাড়া আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে এবিষয়ে ওই শিক্ষককে লিখিত বক্তব্য দিতে হবে বলেও ওই আদেশে বলা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. নূরউদ্দিন আহমেদ বলেন, “ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের অনুমোদন ক্রমে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. হুমায়ূন কবিরের সহকারী প্রক্টরের পদ স্থগিত করা হয়েছে।”

ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, গত ১৩ নভেম্বর সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ও সহকারী প্রক্টর মো. হুমায়ূন কবিরের বিরুদ্ধে কৃষি বিজ্ঞান বিভাগের ৩য় বর্ষের নেপালী ছাত্রী যৌন নিপীড়নের অভিযোগ দায়ের করেন। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিব্রত বোধ করছে। বর্তমানে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ সেল তদন্ত করছে। বিষয়টি সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত ন্যায় বিচারের স্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত তার সহকারী প্রক্টর পদটি স্থগিত করা হয়েছে।

এপ্রসঙ্গে অভিযুক্ত প্রভাষক মো. হুমায়ূন কবির বলেন, “আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা, উদ্দেশ্য প্রণোদিত, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করা হয়েছে। গত ২১ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে ও শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে আমি সহকারী প্রক্টরের পদ থেকে পদত্যাগ করি।” 

তিনি বলেন, “আমরা ভর্তি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে ১২ পরীক্ষার্থী ও শিক্ষার্থীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করি। এতে সাবেক ভিসিপন্থী কিছু শিক্ষক ক্ষিপ্ত হয়ে ষড়যন্ত্র করে ফেক আইডি’র মাধ্যমে ওই শিক্ষার্থীকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এনে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ায়।”

এই অভিযোগের কারণে প্রাথমিকভাবে একটি জিডি করেছেন বলেও তিনি জানান।