• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৮ রাত

থানায় জব্দ মোটরসাইকেল চুরি করে পালানোর সময় হাতেনাতে ধরা এসআই

  • প্রকাশিত ০৮:২৫ রাত নভেম্বর ১৮, ২০১৯
জামিরুল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে পালানোর সময় ধরা পড়েছেন এসআই জামিরুল ঢাকা ট্রিবিউন

অভিযোগ রয়েছে, গত ৩ আগস্ট সদর উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দফতরিকে ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা ও মারধর করেন তিনি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে পালানোর সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) জামিরুল ইসলাম। তাকে আটক করে থানা হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। জামিরুলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

রবিবার (১৮ নভেম্বর) রাত থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন এসআই জামিরুল। আটকের পর সারারাত তাকে থানার ডিউটি অফিসারের কক্ষে রাখা হয়েছিলো।

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সেলিম উদ্দিন ঢাকা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৮ সালের আগস্ট থেকে এসআই জামিরুল ব্রাহ্মণবাড়িয়া মডেল থানায় কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, গত ৩ আগস্ট সদর উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দফতরিকে ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা ও মারধর করেন তিনি। ওই ভুক্তভোগীর কাছ থেকে আড়াই হাজার টাকা ঘুষও নেন। এ ঘটনায় গত ৫ আগস্ট জামিরুলকে প্রত্যাহার করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে প্রত্যাহারের পর রাঙামাটি জেলার বরকল থানায় বদলি করা হয় এসআই জামিরুলকে। সর্বশেষ চলতি মাসের ১১ নভেম্বর হাইওয়ে পুলিশের উত্তরা সদর দফতরে নিযুক্ত করা হয় তাকে।

পুলিশ জানিয়েছে, সেখান থেকে কোনো ধরনের অফিসিয়াল ছুটি না নিয়েই রবিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় যান জামিরুল। সন্ধ্যার দিকে সেখানে জব্দ করা একটি মোটরসাইকেল নিয়ে কৌশলে পালানোর চেষ্টা করেন। এসময় তাকে বাধা দেন কর্তব্যরত কনস্টেবল সালাউদ্দিন। কিন্তু বাধা উপেক্ষা করে মোটরসাইকেল থানা থেকে বেরিয়ে যান জামিরুল। রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে নিজেদের হেফাজতে নেয় সদর মডেল থানার পুলিশ।

এ বিষয়ে মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, “আমরা খবর নিয়ে জানতে পেরেছি এসআই জামিরুল অফিসিয়াল ছুটি ছাড়াই ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় এসে এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন। সোমবার তাকে হাইওয়ে পুলিশের সদর দফতরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।”

এ ঘটনায় জামিরুলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রেজাউল কবির।