• শুক্রবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৬ রাত

দুর্গম পাহাড়ে অস্ত্রের কারখানায় অভিযান, আহত ৪ পুলিশ

  • প্রকাশিত ০৪:৪৩ বিকেল নভেম্বর ২০, ২০১৯
অস্ত্র
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার দুর্গম পাহাড়ে থাকা এক অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে অন্তত ২০টি দেশীয় অস্ত্র ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে পুলিশ। ইউএনবি

সেখান থেকে ২০ টি অস্ত্র ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার দুর্গম পাহাড়ে থাকা এক অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে অন্তত ২০টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

বুধবার (২০ নভেম্বর) ভোর রাতে পূর্ব রাউজনের ঘোড়া সামছু টিলা এলাকায় চালানো এ অভিযানে ডাকাত দলের সাথে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেপায়েত উল্লাহসহ চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ডাকাত সর্দার ও ১৭ মামলার আসামি আলমগীর আলম প্রকাশ ওরফে আলমগীর ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গভীর রাতে পূর্ব রাউজানের রাবার বাগান সংলগ্ন ঘোড়া সামছু টিলা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়তে থাকে দুস্কৃতকারীরা। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোঁড়ে। এক পর্যায়ে মোহাম্মদ আলমগীর নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এসময় ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় তৈরি ১০টি শটগান, গ্যাস গান সদৃশ একটি অস্ত্র, ৬টি দেশীয় তৈরি পাইপ গান, একটি পুরাতন ম্যাগজিন, ৭টি কার্তুজ, ৭টি কার্তুজের খোসা, দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুকের তিনটি অংশসহ অস্ত্র তৈরির আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আহত ওসি কেপায়েত উল্লাহ বলেন, "পূর্ব রাউজানের দুগর্ম অঞ্চলে আস্তানা গড়ে তুলেছিল ডাকাত দল। মাত্র তিন মাস আগে আলমগীর জেল থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছে। যেখানে অভিযান চালানো হয় সেখানে তারা দেশীয় অস্ত্র তৈরি করতো বলে প্রমাণ মিলেছে।"

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার হওয়া আলমগীর রাউজানের শীর্ষ সন্ত্রাসী বিধান বড়ুয়া ও ক্রসফায়ারে নিহত সন্ত্রাসী জানে আলমের সহযোগী। তার নামে রাউজান থানায় ৫টি ডাকাতি, ২টি হত্যা ও চাঁদাবাজিসহ অন্তত ১৭টি মামলা রয়েছে।