• সোমবার, জানুয়ারী ২০, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৪৫ রাত

তিনদিন চরম যাত্রী দুর্ভোগের পর পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার

  • প্রকাশিত ০৯:৩৪ সকাল নভেম্বর ২১, ২০১৯
পরিবহন ধর্মঘট
বুধবার রাত সোয়া ১টার দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁনের ধানমন্ডির বাসায় সংবাদ সম্মেলন রাজিব ধর/ঢাকা ট্রিবিউন

বুধবার রাত সোয়া ১টার দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁনের ধানমন্ডির বাসায় সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। এর আগে শ্রমিক নেতারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় চারঘণ্টা বৈঠক করেন

টানা তিনদিন যাত্রীদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ শেষে অবশেষে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ট্রাক-কাভার্ডভ্যান পণ্য পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। 

বুধবার (২০ নভেম্বর) রাত সোয়া ১টার দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁনের ধানমন্ডির বাসায় সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। এর আগে শ্রমিক নেতারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় চারঘণ্টা বৈঠক করেন।

সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, “মালিক ও শ্রমিকেরা ৯ দফা দাবি উত্থাপন করেছিলেন। এগুলোর মধ্যে যেসব দাবি যৌক্তিক মনে হবে, সেগুলো বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। যে লাইসেন্স দিয়ে তারা এখন গাড়ি চালাচ্ছেন, তা আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে। এরমধ্যে তারা যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে কাগজপত্র হালনাগাদ করবেন।”

বৈঠকে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলামসহ ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান মালিক–শ্রমিক ঐক্য পরিষদ ও অন্যান্য সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ঐক্য পরিষদের সদস্য সম্পাদক তাজুল ইসলাম বলেন, “আমরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছি। তবে, তা শর্তসাপেক্ষে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদের কথা দিয়েছেন তিনি সরকারের উচ্চমহলে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবেন।”

নতুন সড়ক পরিবহন আইনের বিরোধিতা করে শ্রমিকদের ধর্মঘট, কোথাও কোথাও সড়ক অবরোধে গতকাল বুধবার কার্যত অচল হয়ে পড়ে পণ্য পরিবহন ও যাত্রীসেবা। ভোর থেকে ট্রাক–কাভার্ড ভ্যানের ধর্মঘটের কারণে সারা দেশে পণ্য পরিবহন প্রায় বন্ধ ছিল। দেশের বন্দর, কৃষি ও নিত্যপণ্যের মোকাম থেকে বিভিন্ন স্থানে মালামাল পরিবহনও বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

গত শনিবার থেকেই দেশের দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলে যাত্রী পরিবহন বাধাগ্রস্ত হতে শুরু করে। বুধবার কমপক্ষে ২৭টি জেলায় ধর্মঘট পালন করেন পরিবহনশ্রমিকেরা।