• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৮ রাত

জাবি'র নিরাপত্তা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাবেক দুই শিক্ষার্থীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ

  • প্রকাশিত ০৮:৪১ রাত ডিসেম্বর ২, ২০১৯
জাবি নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহীন
জাবি নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহীন সংগৃহীত

এমনকি পরবর্তীতে ক্যাম্পাসে দেখা গেলে মারধর করা হবে বলেও ১৯তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থীকে হুমকি দেন তিনি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহীনের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক দুই শিক্ষার্থীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার (২ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সাবেক শিক্ষার্থী আকবর হোসেন।

ভুক্তভোগী আকবর হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ২৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেইরি গেট সংলগ্ন জাহাঙ্গীরনগর ফটোগ্রাফি ও ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের মালিক।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে অনির্দিষ্টকাল বন্ধ থাকায় আকবর হোসেনের দোকান বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কার্যালয়ের জরুরি প্রয়োজনে মাঝে মাঝে দোকানটি খোলা হয়। রবিবার বিকেল তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক ও একজন উপ-রেজিস্ট্রারের ছবির কাজ করার জন্য দোকান খোলা হয়েছিল। এসময় সেখানে গিয়ে দোকান খোলা রাখার কারণ জানতে চান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহীন। জবাবে জরুরি প্রয়োজনের বিষয়টি ব্যাখা করেন দোকান মালিক। কিন্তু তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে শুরু করেন সুদীপ্ত।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী (১৯তম ব্যাচ) ও সাভার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক। গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে তাকেও উল্টো গালিগালাজ করেন নিরাপত্তা কর্মকর্তা। এমনকি পরবর্তীতে ক্যাম্পাসে দেখা গেলে “মারধর করা হবে” বলেও হুমকি দেন।

এ অবস্থায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেন আকবর হোসেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তার সুদীপ্ত শাহীনের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এ শিক্ষার্থী।

অভিযোগ সম্পর্কে জানতে সুদীপ্ত শাহীন বলেন, ‘‘নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে সেদিন (রবিবার) প্রধান ফটকের দিকে টহলে যাই আমি। সেখানে কনফেকশনারীর দোকান খোলা দেখে প্রশাসনের নির্দেশনা থাকার পরও দোকান খোলার কারণ জানতে চাই দোকানদারের কাছে। এসময় পাশে থাকা একজন তৃতীয় পক্ষ দোকানদারের সঙ্গে আমাকে উচ্চস্বরে কথা বলতে নিষেধ করেন। পরে তার সঙ্গে আমার কথা কাটাকাটি হয়। এর বেশি কিছু না।’’

তবে দায়িত্ব পালনের সময় বহিরাগত এক ব্যক্তি ব্যাঘাত ঘটিয়েছেন বলে পাল্টা অভিযোগ করেছেন তিনি। 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজের মুঠোফোনে কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।