• বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৮ রাত

সাভারের বংশী নদী দখলদারদের তালিকা চেয়েছে হাইকোর্ট

  • প্রকাশিত ১০:১২ রাত ডিসেম্বর ২, ২০১৯
বংশী নদী
রাজধানীর উপকণ্ঠে সাভারের বংশী নদী। ইউএনবি

বংশী নদীর বিরাট এলাকা প্রভাবশালীদের দখলে থাকলেও উদ্ধারে উদ্যোগ নেই। সরকারিভাবে নদী দখলদারদের ৬৫ জনের তালিকা প্রস্তুত করে নোটিশ দেওয়া হলেও তারা এতে কর্ণপাত করছেন না

সাভারের বংশী নদী দূষণ ও অবৈধ দখলদারদের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে একটি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ড (ওয়াপদা), রাজউক, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ঢাকার জেলা প্রশাসক, সাভারের নির্বাহী কর্মকর্তা, সাভারের ভূমি কর্মকর্তা, ঢাকা জেলার এসপি ও সাভার থানার ওসিকে এ প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

জনস্বার্থে করা এক রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার (০২ ডিসেম্বর) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

রুলে বংশী নদী দখল করা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় সচিব ও জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনসহ ১৪ জন বিবাদীকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মো. বাকির হোসেন, সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার আবু সাদেক আব্দুল্লাহ।

গত ২৮ অক্টোবর একটি জাতীয় দৈনিকে “দখল-দূষণেশেষ বংশী নদী” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ পায়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, “৬৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান গিলে খাচ্ছে রাজধানীর উপকণ্ঠের সাভারের বংশী নদী। এ নদীর বিরাট এলাকা প্রভাবশালীদের দখলে থাকলেও উদ্ধারে উদ্যোগ নেই। সরকারিভাবে নদী দখলদারদের ৬৫ জনের তালিকা প্রস্তুত করে নোটিশ দেওয়া হলেও তারা এতে কর্ণপাত করছেন না। বরং নদীর দুই পাড়ে সমান তালে চলছে দখল ও ভরাট। পাশাপাশি বিভিন্ন কল-কারখানার বর্জ্য নদীতে পড়ায় দূষণ বাড়ছে। নির্মাণ করা হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা। নদীর মাটি কেটে বিক্রি করা হচ্ছে দেদারছে। এসব কারণে ভালো নেই সাভার উপজেলার ৪০ থেকে ৪২ লাখ বাসিন্দা।”

পরে ওই প্রতিবেদন সংযুক্ত করে হাইকোর্টে রিট করেন ব্যারিস্টার মো. বাকির হোসেন। ওই রিটের শুনানি নিয়ে রুলসহ আদেশ দেয় হাইকোর্ট।