• সোমবার, জানুয়ারী ২০, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৪৫ রাত

মুজিববর্ষ থেকে শাবি’তে পড়ানো হবে 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী'

  • প্রকাশিত ০২:০৩ দুপুর ডিসেম্বর ৫, ২০১৯
অসমাপ্ত আত্মজীবনী
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) বাংলা বিভাগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ পাঠ্য হিসেবে চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। ছবি: সৌজন্যে।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ প্রধান বলেন, বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ একটি সর্বজনীন গ্রন্থ। দেশবিভাগ, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী অনেক অজানা ইতিহাস এতে রয়েছে

আগামী ২০২০ সালের মার্চ থেকে ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত “মুজিববর্ষ” পালনের জন্য সারাদেশে চলছে নানা প্রস্তুতি। মুজিববর্ষ থেকে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে সিলেবাসের পাঠ্য তালিকায় পড়ানো শুরু হবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা "অসমাপ্ত আত্মজীবনী"।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বাংলা বিভাগের “আত্মজৈবনিক রচনা” শিরোনামে বিএনজি-২২৬ নম্বর কোর্সের অংশ হিসেবে থাকছে বঙ্গবন্ধুর এই আত্মজীবনী। এটি ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের বাংলা বিভাগের দ্বিতীয়বর্ষ দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের থেকে পড়ানো শুরু হবে।

পাঠ্যসূচিতে বঙ্গবন্ধুর "অসমাপ্ত আত্মজীবনী" নিয়ে বাংলা বিভাগ প্রধান অধ্যাপক ড.মো. আশ্রাফুল করিম বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের "অসমাপ্ত আত্মজীবনী" একটি সর্বজনীন গ্রন্থ।

তিনি আরো বলেন, “একটি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে তার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি জানতেই হবে। আর এই ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ তরুণ শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশ বিষয়ে বাস্তব ও সত্য ইতিহাস জানতে সহায়তা করবে। দেশবিভাগ, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী অনেক অজানা ইতিহাস এই আত্মজীবনীতে রয়েছে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “পাঠ্যসূচিতে ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ অন্তর্ভুক্তকরণ সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত এবং বঙ্গবন্ধুকে আরও বেশি করে পঠন-পাঠন প্রয়োজন। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে তরুণ প্রজন্মকে আরও বেশি বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানা উচিত।”

প্রথম এই কোর্সটিতে বঙ্গবন্ধুর "অসমাপ্ত আত্মজীবনী" পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন উল্লেখ করে বাংলা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম বলেন, “পৃথিবীর অন্য দেশের পাঠ্যতালিকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিদের জীবনী পড়ানো হলেও আমরা সেটা থেকে বঞ্চিত ছিলাম। আর বাংলাদেশের ক্ষেত্রে "বঙ্গবন্ধু"র জীবনী আমাদের মতো তরুণ শিক্ষার্থীদের দেশ গড়ার নতুন স্বপ্ন সৃষ্টি করবে।”

গত ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর বাংলা বিভাগের সিলেবাস প্রণয়ন কমিটির সভায় “অসমাপ্ত আত্মজীবনী” পাঠ্য করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫৪তম একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় বইটি পাঠ্য হিসেবে পড়ানোর অনুমোদন দেওয়া হয়। 

“আত্মজৈবনিক রচনা” শিরোনামে বিএনজি-২২৬ নম্বর কোর্সের অংশ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর লেখা এই আত্মজীবনী ছাড়াও তিন ক্রেডিটের এই কোর্সে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর "জীবন স্মৃতি", মীর মোশাররফ হোসেন এর "আমার জীবনী" ও রাজসুন্দরী দেবীর "আমার জীবন" আত্মজীবনীও পাঠ্য হিসেবে পড়ানো হবে।