• সোমবার, জানুয়ারী ২০, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৪৫ রাত

হল খোলার প্রথম দিনেই জাবিতে আবারও বিক্ষোভ মিছিল

  • প্রকাশিত ০৪:৩০ বিকেল ডিসেম্বর ৫, ২০১৯
জাবি
উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল। ঢাকা ট্রিবিউন

‘ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দিয়ে উপাচার্য আমাদের ওপর ঠিক একমাস আগে হামলা চালিয়েছিল। আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে উসকানি দিলে জাহাঙ্গীরনগর আবার অস্থির হবে’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের অপসারণের দাবিতে হল খোলার প্রথম দিনেই আবারও বিক্ষোভ মিছিল করেছে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একাংশ।

বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিকী অনুষদ সংলগ্ন মুরাদ চত্বর থেকে মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বটতলায় গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

সমাবেশে গত ৫ নভেম্বরে আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার নিন্দা ও এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবি জানানো হয়।

এ সময় জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মুশফিক উস সালেহীন বলেন, “বর্তমান প্রশাসন হল খুলে দিয়েছে যা শিক্ষার্থীদের একটি বিজয়। ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দিয়ে উপাচার্য আমাদের ওপর ঠিক একমাস আগে হামলা চালিয়েছিল। আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে উসকানি দিলে জাহাঙ্গীরনগর আবার অস্থির হবে।”

দর্শন বিভাগের অধ্যাপক আনোয়ারুল্লাহ ভূঁইয়া বলেন, “গত ৫ নভেম্বর উপাচার্যের মদদে ছাত্রলীগ আমাদের যৌক্তিক আন্দোলনে নির্মম হামলা চালিয়েছিল। এই উপাচার্যের দুর্নীতির খতিয়ান দীর্ঘ হচ্ছে। বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি জারি করেছেন তা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেও দেখতে চাই। আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে কালিমামুক্ত করতে চাই।”

সমাবেশ শেষে আগামী ১০ ডিসেম্বর উপাচার্যের দুর্নীতির খতিয়ান (তথ্য) প্রকাশ করা হবে বলে ঘোষণা দেন আন্দোলনের সমন্বয়ক দর্শন বিভাগের অধ্যাপক রায়হান রাইন।

উল্লেখ্য, গত ৫ নভেম্বর উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে তার বাসভবন অবরোধ করায় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীর। এ ঘটনায় প্রায় ৩৫ জন আহত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সেদিনই সিন্ডিকেটের এক জরুরী সভায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেছিল কর্তৃপক্ষ।