• রবিবার, মার্চ ২৯, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:৫৬ বিকেল

শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজে দুর্নীতির তদন্তে নেমেছে মন্ত্রণালয়

  • প্রকাশিত ০৮:৪৮ রাত ডিসেম্বর ৫, ২০১৯
শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ-দুর্নীতি-তদন্ত
বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে সরেজমিনে তদন্ত শুরু করেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত কমিটির প্রধান এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. আজম খান। ঢাকা ট্রিবিউন

বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে সরেজমিনে ঘটনার তদন্ত শুরু করেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত কমিটির প্রধান এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. আজম খান

হবিগঞ্জের শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজে প্রায় ৯ কোটি টাকার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি।

বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে কমিটির প্রধান এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. আজম খান তদন্তের উদ্দেশে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজে পৌঁছান।

সেখানে পৌঁছে তিনি ২০১৭-১৮ সালে দরপত্রের মাধ্যমে কেনা যন্ত্রপাতি ও উপকরণ পরিদর্শন এবং প্রতিটি জিনিসের উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করেন। সেই সাথে কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. আবু সুফিয়ান ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ডা. নাসিমা খানমসহ কেনাকাটার সাথে যুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।


আরও পড়ুন - শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ: ৪০ হাজারের ল্যাপটপ দেড় লাখে ক্রয়


এ সময় হবিগঞ্জের সহকারী কমিশনার ইয়াসিন আরাফাত রানাসহ পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে যুগ্ম সচিব আজম খান সাংবাদিকদের বলেন, "বিষয়টি যেহেতু তদন্তাধীন, তাই এ মুহূর্তে কিছু বলা উচিত হবে না। আশা করছি নির্ধারিত সময়ের আগেই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারবো।"

প্রসঙ্গত, শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দরপত্রের মাধ্যমে সাড়ে ১৫ কোটি টাকার কেনাকাটা করে। কিন্তু কিনে আনা প্রতিটি যন্ত্রের জন্য অতিরিক্ত মূল্য দেখানো হয়। সাড়ে ১৫ কোটি টাকা খরচ হিসেবে দেখানো হলেও, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কিনে আনা যন্ত্রগুলোর বাজারদর হিসেব করলে খরচ ৬ কোটি টাকার বেশি আসে না। পরে এই ৯ কোটি টাকার দুর্নীতির বিষয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারিত হলে নড়ে চড়ে বসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।