• শনিবার, জানুয়ারী ১৮, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৩৬ সকাল

মেঘনায় দুই লঞ্চের সংঘর্ষে নিহত ১, তদন্ত কমিটি গঠন

  • প্রকাশিত ০১:০০ দুপুর ডিসেম্বর ৭, ২০১৯
লঞ্চের সংঘর্ষ
দুর্ঘটনাস্থলের সম্ভাব্য স্থান ঘিরে তিনটি সংস্থার ডুবুরিদল যৌথভাবে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে ঢাকা ট্রিবিউন

শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মধ্যরাতে নদীতে ঘন কুয়াশার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে নৌপুলিশ জানিয়েছে

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ ও মুন্সিগঞ্জের সীমান্তবর্তী চর কিশোরগঞ্জ এলাকার ধলেশ্বরী ও মেঘনা নদীর মোহনায় যাত্রীবাহী দু’টি লঞ্চের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে হুমায়ুন (৩৫) নামে একজন নিহত হয়েছে। নিহত মো. হুমায়ুন শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার রামভদ্রপুর এলাকার মৃত আব্দুল হাইয়ের ছেলে।

শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মধ্যরাতে নদীতে ঘন কুয়াশার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে নৌ-পুলিশ জানিয়েছে। 

নারায়ণগঞ্জের বন্দর কলাগাছিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. মোস্তাফিজুর রহমান এতথ্য নিশ্চিত করে জানান, শুক্রবার আনুমানিক রাত ১টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া চাঁদপুরগামী বোগদাদিয়া-১৩ ও শরীয়তপুর থেকে ঢাকাগামী মানিক-৪ লঞ্চের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে একজন নিহত হয়। আহত হয়েছে অন্তত ৫ জন। আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। নিহতের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। দুর্ঘটনা কবলিত দু’টি লঞ্চ সদরঘাট এলাকায় রয়েছে।

তিনি আরো জানান, খবর পেয়ে সকাল ৬টায় নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর বিআইডব্লিউটিএ, নৌপুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরীরদল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছে। সংঘর্ষ সংঘটিত হওয়া লঞ্চ দুইটি যার যার গন্তব্যে সদরঘাট ও শরীয়তপুরে পৌঁছে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মধ্য রাতে নদীতে ঘন কুয়াশার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অবস্থিত র‌্যাব-১১ সদর দপ্তরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো: আলেপ উদ্দিন বলেন, “রাত দেড়টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে আমরা নিশ্চিত হয়েছি। এব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জের সকল নৌ-থানা পুলিশসহ তাদের হেড কোয়ার্টারের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছি। একজন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছে বলে নিশ্চিত হলেও কেউ নিখোঁজ রয়েছেন এমন কোন সংবাদ আমাদের কাছে নেই। তারপরেও বিষয়টি আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। নিখোঁজের খবর পেলে আমরাও উদ্ধার অভিযান চালাবো।”

এদিকে, সংঘর্ষের কারণ উদঘাটনে ৪ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার বিআইডব্লিউটি’র নৌ-নিরাপত্তা বিভাগের যুগ্ম-পরিচালক সাইফুল ইসলামকে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদনে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে বিআইডব্লিউটি’র সদরঘাট নদী-বন্দরের যুগ্ম-পরিচালক আরিফ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।