• শনিবার, জানুয়ারী ১৮, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৩৮ সকাল

মোস্তাফা জব্বার: ২০২০ সালেই বাংলাদেশে আসবে ফাইভ-জি

  • প্রকাশিত ১০:০৮ রাত ডিসেম্বর ৯, ২০১৯
মোস্তাফা জব্বার
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।ফাইল ছবি/বাসস

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ফাইভ-জি শুধু কথা বলা বা ব্রাউজ করা প্রযুক্তি হিসেবে দেখা হয় না

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ২০২০ সালেই ফাইভ-জি জগতে পা দেবে বাংলাদেশ। এটি নতুন সভ্যতার ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ডিজিটাল ও সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, ভবিষ্যতের পথ ফাইভ-জি শুধু কথা বলা বা ব্রাউজ করা প্রযুক্তি হিসেবে দেখা হয় না। এটিকে ডিজিটাল শিল্প বিপ্লবের মহাসড়ক বলা হয়। ফাইভ-জি শিল্প, বাণিজ্য, কৃষি, শিক্ষা এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে অভাবনীয় ভূমিকা পালন করবে।

তিনি বলেন, ফাইভ-জি’র ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পিছিয়ে নেই। ফাইভ-জি সম্প্রসারণে ইতোমধ্যে রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। ২০২৬ সালের মধ্যে সারা দেশে সম্প্রসারণের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ১৬, ১৭ এবং ১৮ জানুয়ারি ডিজিটাল মেলায় সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে ফাইভ-জি লাইভ দেখানো হবে। এর আগে ২০১৮ সালের ২৫ জুলাই ফাইভ-জি পরীক্ষামূলকভাবে দেখানো হয়েছিল।

সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, "ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আমেরিকান প্রতিনিধি দলের সাথে আলোচনায় আমেরিকান মালিকানাধীন কোম্পানির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যে অনেক সময় আমাদের চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে, সে বিষয়টিকে তাদের অবহিত করা হয়েছে। বিষয়টিকে তারাও গুরত্ব দিয়ে দেখছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে আমাদের সংকটে ফেলে দেয়। এর মাধ্যমে গুজব রটানো হয়, জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসের বিস্তার ঘটানো হয়।" 

নিরাপত্তা বিষয় আগামীতে সরকার এবং কোম্পানি পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রাখা হবে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী বলেন, "১২ ডিসেম্বর ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' বলেছে ২০০৮ সালে। সেখানে ২০০৯ সালে বৃটেন, ২০১৪ সালে ভারত, সবশেষ গত ৫ ডিসেম্বর পাকিস্তান বলেছে, 'ডিজিটাল পাকিস্তান'। আমরা অন্যদের পথ দেখিয়েছি। এ বিষয়ে জাতি হিসেবে আমরা অবশ্যই গর্ব করি।"