• শনিবার, জানুয়ারী ১৮, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:২১ দুপুর

পররাষ্ট্রমন্ত্রী: প্রস্তাবিত নাগরিকত্ব আইন ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রে প্রভাব ফেলবে

  • প্রকাশিত ০৮:০৩ রাত ডিসেম্বর ১১, ২০১৯
ড. একে আব্দুল মোমেন
ড. একে আব্দুল মোমেন। ছবি: সংগৃহীত

আব্দুল মোমেন বলেন, 'আমরা কাউকে ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে বিচার করি না'

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নির্যাতন করা হচ্ছে বলে ভারতের লোকসভায় যে অভিযোগ ওঠেছে, তা সঠিক নয় উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, প্রতিবেশী দেশটির প্রস্তাবিত নাগরিকত্ব আইন দেশটির ঐতিহাসিক ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রে প্রভাব ফেলবে।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি ও আর্ল ই মিলারের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের উদ্দেশে এ কথা বলেন মন্ত্রী। 

ভারতের লোকসভায় দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বলে যে অভিযোগ তুলেছেন সে সম্পর্কে জানতে চাইলে আব্দুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশে কোনো সংখ্যালঘু নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন, এ অভিযোগ সত্য নয়। যারাই এই তথ্য দিয়েছেন, তারা সঠিক তথ্য দেননি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "ভারতের লোকসভায় এক-দুই দিন আগে পাস হওয়া নাগরিকত্ব সংশোধন আইন-২০১৯ সহিষ্ণু ও ধর্মনিরপেক্ষ দেশ হিসেবে দেশটির ঐতিহাসিক অবস্থান দুর্বল করবে।"

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, "বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বর্তমানে খুবই ঘনিষ্ট দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিরাজ করছে, যাকে “সোনালি অধ্যায়” বলে অভিহিত করা হয়। আর তাই স্বাভাবিকভাবেই আমাদের জনগণ আশা করে, ভারত এমন কিছু করবে না যা তাদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারে।"

বাংলাদেশ দৃঢ় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করে এবং চাকরিসহ সব ক্ষেত্রে সব ধর্মের অনুসারীদের সমান অধিকার নিশ্চিত করে, বলে জানান আব্দুল মোমেন। 

বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নেতৃত্ব এটা নিয়ে কথা বলবে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, "আমরা কাউকে ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে বিচার করি না। আমাদের কাছে সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।"