• সোমবার, জানুয়ারী ২০, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৪৫ রাত

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আইসিজে’র কাছে ভাল ফল আশা করছে যুক্তরাষ্ট্র

  • প্রকাশিত ০৯:৫৪ সকাল ডিসেম্বর ১২, ২০১৯
মার্কিন দূতাবাস

যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, হেগে এই শুনানি থেকে একটি ভাল ফল পাবে বলে আশা করছে এবং তারাও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবে

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার মিয়ানমারের শীর্ষ সামরিক নের্তৃবৃন্দের ওপর নতুন করে মার্কিন অবরোধ আরোপ সম্পর্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনকে অবহিত করে বলেছেন, হেগে আন্তর্জাতিক বিচার আদলতে (আইসিজে) রোহিঙ্গা গণহত্যার ওপর চলমান শুনানি থেকে তার দেশ একটি ভাল ফল আশা করছে।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন  তার মন্ত্রণালয়ের অফিসে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলারের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান। 

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ধারণা করছে, হেগে এই শুনানি থেকে একটি ভাল ফল পাবে বলে আশা করছে এবং তারাও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন আরো বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে মিয়ানমারের ওপর আরো চাপ সৃষ্টি করতে সেদেশের শীর্ষ সেনা কর্মকর্তাদের ওপর অবরোধ আরোপ করতে গতকালের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তাকে অবহিত করার জন্য তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

এর আগে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সাংবাদিকদের জানান, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র ও ট্রেজারি দপ্তর রাখাইন রাজ্যে মারাত্মক মানবাধিকার লংঘনের ঘটনায় সামরিক জান্তার ভূমিকায় দেশটির বর্তমান ও সাবেক আরো চার শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তার ভূমিকা থাকায় তাদের বিরুদ্ধে অথনৈতিক অবরোধ আরোপের ঘোষণা দিয়েছে।

তিনি বলেন, রাখাইনে মানবাধিকার লংঘনের অভিযোগে ২০১৭ সালের পর থেকে এপর্যন্ত মিয়ানমারের ৯ জন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তার ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আবরোধ আরোপ করা হলো।

মিলার বলেন, মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে বর্বরোচিত ঘটনার জন্য এখন পর্যন্ত কাউকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়নি। এই নৃশংস ঘটনায় ৭ লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

তিনি বলেন, মিয়ানমারে জাতিগত সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে বর্মী সামরিক সদস্যরা মারাত্মক মানবাধিকার লংঘন করেছে। একটি অধিক নিরাপদ, স্থিতিশীল, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধশালী জাতি গঠনের জন্য এধরনের মানবাধিকার লংঘনের ঘটনা অবশ্যই বন্ধে এধরনের অবরোধ আরোপ অব্যাহত রাখতে হবে।

মার্কিন দূত বলেন, মিয়ানমারের সামরিক জান্তাকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং মানবাধিকার লংঘনের ঘটনা এখনি বন্ধ করতে হবে।