• শনিবার, জানুয়ারী ১৮, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:০১ দুপুর

প্রতিমন্ত্রী: পাটকল শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে অসুস্থতায়

  • প্রকাশিত ১১:৩৬ সকাল ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯
মন্নুজান সুফিয়ান
বৃহস্পতিবার রাতে খুলনার পাটকল শ্রমিকদের অনশন প্রত্যাহারের বিষয়ে কথা বলেন শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান ঢাকা ট্রিবিউন

ওই শ্রমিকের পরিবারকে সব ধরনের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি

খুলনায় শ্রমিক অনশন চলাকালে প্লাটিনাম জুট মিলের তাঁত বিভাগের শ্রমিক আব্দুল সাত্তার (৫৮) অসুস্থতাজনিত কারণে মারা গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান। তিনি বলেন, ওই শ্রমিক অসুস্থজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেছেন। এসময় তার পরিবারকে সব ধরনের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দেন প্রতিমন্ত্রী। 

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) রাতে খুলনার বিভাগীয় শ্রম অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে পাটকল শ্রমিকদের অনশন প্রত্যাহারের বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ রাষ্ট্রয়ত্ত্ব পাটকল কর্পোরেশনের শ্রমিকদের জন্য সরকার ঘোষিত জাতীয় মজুরী কমিশন ২০১৫ বাস্তবায়নে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় আগামী ১৫ ডিসেম্বর আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার আহ্বান করেছে। সেখানে শ্রমিকদের মজুরী কমিশন বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হবে।


আরও পড়ুন - পাটকল শ্রমিকদের অসন্তোষে উত্তাল খুলনার শিল্পাঞ্চল


তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে মজুরী কমিশন বাস্তবায়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। জাতীয় মজুরী কমিশন বাস্তবায়ন করতে ১১শ' তিন কোটি টাকার প্রয়োজন। যা সংশ্লিষ্ট পাটকলগুলোর পণ্য বিক্রি করে এ অর্থসংস্থান সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে পত্র পাঠানো হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, শ্রম অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মিজানুর রহমান, খালিশপুর শিল্পাঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. কাউসার শিকদার, খালিশপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সানাউল্লাহ নান্নু, সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম বাশার, শ্রমিক নেত্রী শাহনাজ আক্তার প্রমুখ।


আরও পড়ুন - খুলনায় আমরণ অনশনে পাটকল শ্রমিকের মৃত্যু


প্রসঙ্গত, মজুরি কমিশন বাস্তবায়নসহ ১১ দফা দাবিতে খুলনায় চলমান আমরণ অনশনে অসুস্থ হয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শ্রমিক আব্দুল সাত্তার।