• সোমবার, জানুয়ারী ২০, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৪৫ রাত

বয়স্ক ভাতার কার্ড পেলেন বিত্তশালী আওয়ামী লীগ নেতা

  • প্রকাশিত ০৪:৫১ বিকেল ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯
গোপালগঞ্জ
গোপালগঞ্জের মানচিত্র

ওই আওয়ামী লীগ নেতা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের একাধিকবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় এক বিত্তশালী আওয়ামী লীগ নেতার নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড ইস্যু করা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

বিত্তশালী ওই আওয়ামী লীগ নেতার নাম চারু চন্দ্র গাইন। তিনি কলাবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান।

জানা যায়,  ২০১৮ সালে উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে চারু চন্দ্র গাইনের নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড ইস্যু করা হয়। তবে, ওই এলাকায় এমন অনেক দরিদ্র প্রবীণব্যক্তি রয়েছেন যারা বছরের পর বছর চেষ্টা করেও নিজেদের নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড ইস্যু করাতে পারেননি। এই অবস্থায় একাধিকবার নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান কিভাবে বয়স্ক ভাতার কার্ড কীভাবে পেলেন, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক চেয়ারম্যান চারু চন্দ্র গাইন বলেন, "আমি কেন বয়স্ক ভাতার কার্ড করাবো? পুরো বছরে আমি যে ভাতা পাবো তা আমার একদিনের পকেট খরচের সমানও না। কীভাবে আমার নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড হয়েছে তা আমার জানা নেই।"

তবে, কলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সুনীল চন্দ্র বাড়ৈ জানিয়েছেন চারু চন্দ্র গাইন নিজেই তার নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড ইস্যু করাতে বলেছিলেন।

ঢাকা ট্রিবিউন’কে সুনীল চন্দ্র বাড়ৈ বলেন, "বয়স্ক ভাতার জন্য তিনি নিজে পরিষদে এসে আমার কাছে তার ছবি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়েছিলেন। সেই মোতাবেক আমরা তার কাগজপত্র উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরে জমা দিয়ে ছিলাম। তার নিজের ইচ্ছাতেই তার নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড ইস্যু করা হয়েছে।"

তবে এবিষয়ে জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি কলাবাড়ি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মাইকেল ওঝা।

এদিকে, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো: রফিকুল হাসান শুভ জানান, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার আগে এই কার্ড ইস্যু করা হয়েছে। তবে, যদি কোনো অনিয়মের প্রমাণ পান তাহলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।