• শনিবার, জানুয়ারী ১৮, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:০১ দুপুর

জার্মানির বিশ্ববিদ্যালয়ে পুনঃস্থাপিত হলো 'বঙ্গবন্ধু চেয়ার'

  • প্রকাশিত ০৮:০৮ রাত ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯
সমধোতা স্মারক সাক্ষর
১১ ডিসেম্বর জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদ বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে এবং হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর প্রফেসর ড. এইস সি বার্নহার্ড আইটেল এ বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন। সংগৃহীত

১৯৯৯ সালে চালু হলেও ২০০২ সালের পর কার্যত বন্ধ হয়ে যায় ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রফেসরিয়াল ফেলোশিপ’ চেয়ার

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে জার্মানির হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে "বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রফেসরিয়াল ফেলোশিপ" শীর্ষক বাংলাদেশ চেয়ার পুনঃস্থাপন করা হয়েছে।

গত বুধবার (১১ ডিসেম্বর) জার্মানিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদ বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ও হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর প্রফেসর ড. এইস সি বার্নহার্ড আইটেল এবিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন।

সমঝোতার আওতায় প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে একজন শিক্ষক হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ এশিয়া ইনস্টিটিউটে যোগদান করবেন এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশের রাজনীতি, অর্থনীতিসহ অন্যান্য সামাজিক সাংস্কৃতিক বিষয়ে পড়তে আসা শিক্ষার্থীদের পাঠদান করতে পারবেন। একইসাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব, কর্ম ও আদর্শ উপস্থাপনের সুযোগ পাবেন।

সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী বাংলদেশ সরকার সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে বেতন-ভাতা এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজনীয় আবাসিক সুবিধাসহ অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ দেবে।

উল্লেখ্য, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশ বিষয়ে পড়তে আসা ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বাংলাদেশের ইতিহাস, রাজনীতি, অর্থনীতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৯৯ সালে হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ এশিয়া ইনস্টিটিউটে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রফেসরিয়াল ফেলোশিপ’ চেয়ার।

চালু হওয়ার প্রথম দুই বছরে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এই ফেলোশিপের আওতায় যোগ দেন এবং বিভিন্ন দেশ থেকে আসা শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশ বিষয়ে পাঠদান করেন। তবে ২০০২ সালের পর আর কোনো শিক্ষক এই ফেলোশিপের আওতায় যোগদান করেননি।