• রবিবার, এপ্রিল ০৫, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৩৬ রাত

বগুড়ায় ছাত্রলীগ নেতার 'আত্মহত্যা'

  • প্রকাশিত ০৬:০৪ সন্ধ্যা ডিসেম্বর ১৫, ২০১৯
ইফাত আহম্মেদ
নিহত ইফাত আহম্মেদ। সংগৃহীত

এলাকাবাসী কয়েকজন বলেন, ইফাত বগুড়া শহরে গোপনে বিয়ে করেছিলেন

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার ইফাত আহম্মেদ (২৫) নামের ছাত্রলীগের এক নেতা আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (১৫ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার সান্তাহার পৌর এলাকার ঘোড়াঘাটের একটি বাসা থেকে ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। 

নিহত ইফাত সান্তাহার পৌর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বলে জানা গেছে। তিনি সান্তাহারে যোগিপুকুর এলাকার ফারুক আহম্মেদের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ইফাত আহম্মেদ প্রায় এক মাস আগে ঘোড়াঘাট এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করছিলেন। রবিবার সকালের দিকে তিনি ওই বাসার দরজা বন্ধ করে ফ্যানের সঙ্গে ইন্টারনেট সংযোগের তার দিয়ে গলায় ফাঁস দেন। পরে সহকর্মীরা এসে ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে দরজা ভাঙেন। সেখানে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। উদ্ধার করে ইফাতকে পাশের নওগাঁ সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আদমদীঘি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম চম্পা জানান, পৌর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত খুব ভালো ছেলে ছিলেন। উপজেলা ছাত্রলীগের আগামী সম্মেলনে তার সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হওয়ার কথা ছিল। 

এ বিষয়ে সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক আনিসুর রহমান জানান, তাৎক্ষণিকভাবে ইফাতের আত্মহত্যার কারণ জানা যায়নি। এ ব্যাপারে পরিবারের সদস্যরাও কিছু বলতে পারছেন না। ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আদমদীঘি থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

এদিকে এলাকাবাসী কয়েকজন বলেন, ইফাত বগুড়া শহরে গোপনে বিয়ে করেছিলেন। তার চার-পাঁচ বছরের একটা সন্তানও রয়েছে। ছাত্রলীগে পদ পেতে বিয়ের কথা গোপন রেখেছিলেন তিনি। এছাড়া তিনি কোনো কারণে হতাশায় ভুগছিলেন। এ থেকে ইফাত আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।