• বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২৩ রাত

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী: রাজাকারদের সন্তানেরা যেন সরকারি চাকরি না পায়

  • প্রকাশিত ১০:১১ সকাল ডিসেম্বর ১৬, ২০১৯
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে.এম খালিদ
রবিবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলে এক আলোচনা সভায় বক্তৃতা রাখেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে.এম খালিদ ঢাকা ট্রিবিউন

তিনি আরও বলেন, আগে যেসব রাজাকারদের সন্তানেরা সরকারি চাকরি পেয়ে ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তা হয়েছে, তাদের চাকরিচ্যুত করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ করা হবে

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ১০ হাজার ৭৮৯ জন রাজাকারের নাম প্রকাশ করেছে জানিয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে.এম খালিদ বলেছেন, রাজাকারদের সন্তানেরা যেন সরকারি চাকরি না পায় সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। আগে যেসব রাজাকারদের সন্তানেরা সরকারি চাকরি পেয়ে ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তা হয়েছে, তাদের চাকরিচ্যুত করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ করা হবে। 

রবিবার (১৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল শহরের পৌর উদ্যানে “টাঙ্গাইল হানাদারমুক্ত ও বিজয় দিবস উদযাপন” অনুষ্ঠানের ৪র্থ দিনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশের সৃষ্টি হতো না। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। যার ফলে বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। তা না হলে আমরা বিশ্বের দরবারে নির্জীব, অপদার্থ জাতি হিসেবে বিবেচিত হতাম।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের মূল স্তম্ভ হচ্ছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। স্বাধীনতা বিরোধীরা ১৯৭১ সালের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে এবং বাংলাদেশকে ধ্বংস করে দিতেই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করে। দেশের স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি যাতে আর কখনও মাথাচারা দিয়ে না উঠতে পারে সে জন্য নতুন প্রজন্মকে সজাগ থাকতে হবে।

টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র জামিলুর রহমান মিরনের সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির, রাজনৈতিক বিশ্লেষক সুভাষ সিংহ রায়, শহীদ বুদ্ধিজীবী ড. আলীম চৌধুরীর কন্যা ডা. নুজহাত চৌধুরী সম্পা, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ। 

আলোচনা সভায় মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।