• বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৪৯ রাত

রাজধানীতে হাসপাতালে স্ত্রীর লাশ ফেলে পালালেন স্বামী

  • প্রকাশিত ০৫:৫৯ সন্ধ্যা ডিসেম্বর ১৭, ২০১৯
লাশ

ওই নারীর স্বামী তার লাশ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। এরপর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন

রাজধানীর সবুজবাগ থানায় হামিদা আকতার (২২) নামের এক নারীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। হত্যার পর ওই ব্যক্তি তার স্ত্রীর লাশ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যান বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) রাতে থানার পূর্ব মাদারটেকে এ ঘটনা ঘটে। পরে মুগদা জেনারেল হাসপাতাল থেকে রাত সোয়া ১১টার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। 

নিহত হামিদা বরগুনা জেলার বেতাগী থানার সরিষামুড়ি গ্রামের পলাশ খানের স্ত্রী। সাত বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। তাদের আরথি (৫) নামের এক সন্তান রয়েছে। পূর্ব মাদারটেকের সবুজবাগ এলাকায় ভাড়া থাকতেন এই দম্পতি। 

এদিকে পলাশের আগের একটি স্ত্রী রয়েছে বলে হামিদার পরিবার সূত্রে জানা গেছে। 

এ বিষয়ে মৃত হামিদার বড় বোনের স্বামী রানা চৌধুরী জানান, সোমবার রাতে মেয়ে আরথির সামনে বালিশ দিয়ে চাপা দিয়ে হামিদাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন পলাশ। পরে সুজিত নামের এক বন্ধুকে নিয়ে লাশ হাসপাতালে নিয়ে যান এবং পরিবারকে জানান, হামিদা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে হামিদাকে মৃত অবস্থায় পান তারা। 

সবুজবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. লিটন মিয়া জানান, খবর পেয়ে তিনি মুগদা জেনারেল হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। 

তিনি আরও বলেন, ওই নারীর স্বামী তার লাশ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। এরপর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।