• সোমবার, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:২১ রাত

রাতে গ্রেফতার বাবা, সকালে সরিষাক্ষেতে ছেলের গলাকাটা মরদেহ

  • প্রকাশিত ০৬:২৯ সন্ধ্যা ডিসেম্বর ১৭, ২০১৯
শিশু মৃত্যু
প্রতীকী ছবি।

কে বা কারা কীভাবে তাকে খুন করলো সে বিষয়ে কিছুই জানাতে পারেননি স্বজনরা

রাতের বেলায় মাদক মামলায় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন উজ্জ্বল মিয়া। পরদিন সকালে তার ছেলে বিপ্লব মিয়ার (১৫) গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ধুবড়িয়ার কুষ্টিয়া গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহতে কিশোরের মামা জুয়েল মিয়া জানান, তার ভগ্নিপতী উজ্জ্বল মিয়া পরিবার-পরিজন নিয়ে রাজধানীতে থাকেন। বিজয় দিবসের ছুটি উপলক্ষে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে রবিবার গ্রামের বাড়িতে আসেন তিনি। উজ্জ্বল মাদক মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি। তার বাড়ি আসার খবর পেয়ে সোমবার রাতে নাগরপুর থানা পুলিশ কাঁচপাই মোড় থেকে উজ্জ্বলকে গ্রেফতার করে। খবর শুনে স্ত্রী বীথি আক্তার ছেলেকে বাড়িতে রেখে রাতেই নাগরপুর থানায় স্বামীকে দেখতে যান। বাড়ি ফিরে বিপ্লবকে না পেয়ে খুঁজতে শুরু করেন। রাতে আর তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরদিন সকালে স্বামী উজ্জ্বল মিয়ার জামিনের জন্য টাঙ্গাইলের আদালতে যান বীথি। 

এদিকে, সকালের দিকে ধুবড়িয়ার কুষ্টিয়া বিলের পাশের সরিষাক্ষেত বিপ্লবের গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন তার মামা জুয়েল।

কে বা কারা কীভাবে বিপ্লবকে খুন করলো সে বিষয়ে কিছুই জানাতে পারেননি তার স্বজনরা। 

এ বিষয়ে নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলম চাঁদ ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, দুর্বৃত্তরা রাতের কোনো একসময় বিপ্লবকে গলাকেটে হত্যার পর মরদেহ বিলের পাশের নির্জন সরিষাক্ষেতে ফেলে যায়। মঙ্গলবার তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ জানতে চেষ্টা করা হচ্ছে।