• মঙ্গলবার, এপ্রিল ০৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৩১ দুপুর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: ৯৯৬ জনের নাম বাদ দিলে বিতর্কের সৃষ্টি হতো না

  • প্রকাশিত ০৪:২৪ বিকেল ডিসেম্বর ১৮, ২০১৯
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। ফাইল ছবি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নথি পর্যালোচনা করে প্রথম ধাপে ১০ হাজার ৭৮৯ জন রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। সেখানে অনেক মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ব্যক্তির নাম আসায় সমালোচনার ঝড় ওঠে দেশব্যাপী

সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রকাশিত ১৯৭১ সালে যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা থেকে ৯৯৬ জনের নাম বাদ দিলে বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি বলেন, “মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় আমাদের কাছে রাজাকার, আলবদর, আল শামসের তালিকা চেয়ছিল। আমরা বলেছি, এমন কোনো তালিকা আমাদের কাছে নেই। তবে ১৯৭১ থেকে '৭২ সাল পর্যন্ত দায়ের হওয়া দালাল আইনে ১০ হাজারেরও বেশি ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল।”

বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) বেলা সোয়া তিনটার দিকে মন্ত্রণালয়ের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। 


আরও পড়ুন- আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর রাজাকারের তালিকায়


তিনি আরও বলেন, ওইসব মামলার ক্ষেত্রে কোনো কোনো ব্যক্তিকে শত্রুতাবশত ফাঁসানোও হয়েছিল। আমরা এমন ৯৯৬ জনের নাম বাদ দিয়েছি। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে ওই ৯৯৬ জনের বিষয়ে নোট দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়) ওই ভুল তালিকাসহ প্রকাশ করেছে।

আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, দালাল আইনের তালিকা প্রস্তুতের ক্ষেত্রে আমাদের মন্ত্রণালয়ের (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) যদি কোনো কর্মচারী ভুল করে থাকে সেটিও খতিয়ে দেখা হবে। আর কেউ যদি ইচ্ছাকৃত অপরাধ করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) চিফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপুর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আপনারা যে নামটি বলছেন, সেটিও হয়তো নোটে ভুল নাম হিসেবে পাঠানো হয়েছিল। 


আরও পড়ুন- এবার রাজাকারের তালিকায় প্রধানমন্ত্রীর ‘হক চাচার’ নাম!


আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো তালিকাকে “রাজাকারের তালিকা নয়” বলে দাবি করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, গত ১৫ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নথি পর্যালোচনা করে প্রথম ধাপে ১০ হাজার ৭৮৯ জন রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। সেখানে অনেক মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ব্যক্তির নাম আসায় সমালোচনার ঝড় ওঠে দেশব্যাপী।


আরও পড়ুন - এক নজরে দেখে নিন ১০,৭৮৯ রাজাকারের তালিকা