• বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:২৭ রাত

ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ, শরীরে আঘাতের চিহ্ন

  • প্রকাশিত ০৮:১৯ রাত ডিসেম্বর ১৯, ২০১৯
জগদ্দল সীমান্ত ফাঁড়ি-ঠাকুরগাঁও
জগদ্দল সীমান্ত ফাঁড়ি ঢাকা ট্রিবিউন

সাজু মিয়া নামে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে

ঠাকুরগাঁওয়ের বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকা থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে বালিয়াডাঙ্গী থানার পুলিশ। মরদেহের মুখমণ্ডলে রক্তের দাগ ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ওই যুবকের নাম সাদেকুল ইসলাম সাজু মিয়া (৩৩)।

বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার জগদল ও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার নাগরভিটা সীমান্তের ৩৭৬/১ ও ৩৭৬/২ নম্বর পিলারের মাঝামাঝি জায়গা থেকে সাদেকুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে সদর উপজেলার ভালুকা গ্রামের সামশুল হকের ছেলে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার সন্ধ্যায় নাগরভিটা সীমান্ত দিয়ে কয়েকজনের একটি দল ভারতে অনুপ্রবেশের সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ১৭১ কোকড়াদহ ক্যাম্পের জওয়ানদের ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে আসার সময় তাদের একজন নিখোঁজ হয়। পরে বিষয়টি নাগরভিটা সীমান্তে এসে বিএসএফ-কে জানায় বাকিরা। বৃহস্পতিবার সকালে মরদেহ দেখে বিজিবি সদস্যদের মাধ্যমে খবর পেয়ে বিকেল ৩টার দিকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের শরীরে আঘাত এবং মুখমণ্ডলে রক্তের দাগ রয়েছে।

ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবি ব্যাটেলিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এসএনএম সামীউন্নবী চৌধুরী জানান, সীমান্তে একজনের লাশ পাওয়ার খবর শুনে উদ্ধারে পুলিশের সহযোগিতা নিয়েছি। তবে মরদেহের গায়ে কোনো গুলির চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি তদন্ত সরিফুল ইসলাম বলেন, সাজু মিয়া নামে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।