• শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০২ রাত

সিইসি: সফলতা আছে বলেই ঢাকা সিটি নির্বাচনে ইভিএমের ব্যবহার

  • প্রকাশিত ০৩:২৩ বিকেল ডিসেম্বর ২৫, ২০১৯
কে এম নূরুল হুদা
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। ফাইল ছবি।

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হবে ৩০ জানুয়ারি

সফলতা আছে বলেই ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা।

বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে আগারগাঁওয়ে নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধনকালে সিইসি এসব কথা বলেন।

কেএম নূরুল হুদা বলেন, “অনেক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে ইভিএমে টিকে আছি। আমরা সুফল পেয়েছি তাই ধরে রেখেছি। সব নির্বাচনে সফলতা ছিল বলেই ব্যবহার করছি। আপনারা অনেকে ইভিএমে নির্বাচন করেছেন। ইভিএম নির্বাচন পরিচালনায় কোন অসুবিধা নেই। এর মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগ সফলভাবে করা যায়।”

নির্বাচনী কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “এই দুই সিটির নির্বাচন ইসির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এতে সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচন প্রতিযোগিতা ও প্রতিদ্বন্ধিতাপূর্ণ হবে। দল দেখে প্রার্থীদের প্রতি আচরণ করা যাবে না। কার কী রাজনৈতিক পরিচয় তা না দেখে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ভয়-ভীতির তোয়াক্কা না করে দায়িত্ব পালনে সাহসী ও কঠোর হতে হবে।”

সিইসি বলেন, “প্রার্থীর কার কী রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড- যারা নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে আছেন, তাদের একেবারেই দেখার বিষয় নয়। প্রত্যেককে সমান গুরুত্ব দিতে হবে, প্রত্যেকের সঙ্গে সমান আচরণ করতে হবে, প্রত্যেকের নির্বাচনী কর্মকান্ডকে মূল্যায়ন করতে হবে।”

তিনি বলেন, ভোটাররা যেন তার অধিকার প্রয়োগ করতে পারে। তারা যেন পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিতে পারে এ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীরসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

তফসিল অনুযায়ী ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মনোনয়ন দাখিলের শেষ সময় ৩১ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৯ জানুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ হবে ১০ জানুয়ারি। আর ভোটগ্রহণ হবে ৩০ জানুয়ারি।

রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল করা যাবে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। আপিল কর্তৃপক্ষ হিসেবে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারকে নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন।

৫৪টি সাধারণ ওয়ার্ড ও ১৮টি সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ড নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) গঠিত। এ নির্বাচনে ১ হাজার ৩৪৯টি ভোটকেন্দ্রের ৭ হাজার ৫১৬টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মোট ৩০ লাখ ৩৫ হাজার ৬২১ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (ডিএসসিসি) ৭৫টি সাধারণ ওয়ার্ড ও ২৫টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড রয়েছে। এ নির্বাচনে ১ হাজার ১২৪টি ভোটকেন্দ্রের ৫ হাজার ৯৯৮টি কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মোট ২৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪৮৮ জন এ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন।