• শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০২ রাত

মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী: রাজাকারের ভুল তালিকার সাথে সম্পৃক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

  • প্রকাশিত ১০:১৭ রাত ডিসেম্বর ২৬, ২০১৯
জয়পুরহাট
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলা বাজারে মুক্তিযুযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন উদ্বোধন করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। ফোকাস বাংলা

‘সম্প্রতি প্রকাশিত রাজাকারের তালিকায় যে ভুল-ত্রুটি হয়েছে, একজন মন্ত্রী হিসেবে তার দায়-দায়িত্ব আমারই’

সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে রাজাকারের ভুল তালিকা প্রণয়নের সাথে সম্পৃক্ত প্রকৃত দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকালে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলা বাজারে ১ কোটি ৫৬ লাখ ১৮ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত উপজেলা মুক্তিযুযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, “সম্প্রতি প্রকাশিত রাজাকারের তালিকায় যে ভুল-ত্রুটি হয়েছে, একজন মন্ত্রী হিসেবে তার দায়-দায়িত্ব আমারই। আগামীতে যাতে রাজাকারের প্রকৃত ও সঠিক তালিকা উঠে আসে সে জন্য উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠনের চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে।”

এ সময় জয়পুরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সামছুল আলম দুদু, পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুনিরুল শহীদ, পাঁচবিবি পৌরসভারর মেয়র হাবিবুর রহমান হাবিব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী।


আরও পড়ুন - 'বেআক্কেলের মতো কাম কইরা ফেলছি'


প্রসঙ্গত, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নথি পর্যালোচনা করে প্রথম ধাপে গত ১৫ ডিসেম্বর ১০ হাজার ৭৮৯ জন রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

যেখানে অনেক গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধার নাম আসায় দেশব্যাপী ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপুর নামও এসেছে রাজাকারের তালিকায়।

রাজাকারের তালিকায় অনেক মুক্তিযোদ্ধাদের নাম আসায় সমালোচনার মুখে ১৮ ডিসেম্বর ওই তালিকা স্থগিত করে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়। তালিকাটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকেও সরিয়ে ফেলা হয়।