• সোমবার, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৩১ রাত

দশ বছরের শিশুকে গলা কেটে হত্যা, সৎ বাবা পলাতক

  • প্রকাশিত ১০:৫৫ রাত ডিসেম্বর ২৬, ২০১৯
হত্যা
প্রতীকী ছবি

‘পারিবারিক কলহের জেরে সৎ বাবা ধারালো চাকু দিয়ে তার শিশু মেয়েকে গলা কেটে হত্যা করেছে’

পারিবারিক বিরোধের জেরে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে মাদকাসক্ত সৎ বাবার বিরুদ্ধে শিশু স্বর্ণা আক্তারকে (১০) গলা কেটে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কালিয়াকৈর পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের সফিপুর দক্ষিণ আহম্মদনগর এলাকার নিজ বাড়ি থেকে স্বর্ণার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত স্বর্ণা নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার পানিয়াল পুকুর কাচিয়াহাট এলাকার মজির আলীর মেয়ে। সে কালিয়াকৈর উপজেলার আন্দারমানিক এলাকার আব্দুল্লাহ মডেল পাবলিক স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

অভিযুক্ত ঘাতক সৎ বাবা মশিউর রহমানের বাড়ি নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার পানিয়াল পুকুর কাচিয়াহাট এলাকায়। ঘটনার পর থেকে মশিউর পলাতক রয়েছে।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন মজুমদার জানান, স্বর্ণার মা রূপালী বেগম একই এলাকার তিন সন্তানের জনক মশিউর রহমানকে বিয়ে করে। বিয়ের পর সৎ বাবা, মা রূপালী বেগম ও বড় ভাই রুবেলের সাথে স্বর্ণা কালিয়াকৈরের সফিপুর (দক্ষিণ আহম্মদ নগর) এলাকার সাহাজ উদ্দিনের বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছিল।

মা রূপালী ও বড় ভাই স্থানীয় পোশাক কারখানায় কাজ শুরু করতেন। তবে সৎ বাবা মশিউর কোনো কাজকর্ম না করে স্থানীয় মাদক সেবীদের সঙ্গে মিশে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। এ নিয়ে প্রায়ই সৎ বাবা মশিউরের সাথে মা রূপালী বেগমের কলহ লেগে থাকতো। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার ভোরে তার মা ও সৎ বাবার মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে সকালে মা রূপালী ও বড় ভাই কারখানায় কাজে চলে যান। এলাকাবাসী ও পাশের ভাড়াটিয়ারা বিকেল ৫টার দিকে তাদের ঘরের পাশের খালি কক্ষে স্বর্ণার

গলা কাটা লাশ দেখে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে কালিয়াকৈরের মৌচাক ফাঁড়ি পুলিশ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ওসি আলমগীর হোসেন মজুমদার বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে সৎ বাবা ধারালো চাকু দিয়ে তার শিশু মেয়েকে গলা কেটে হত্যা করেছে। হত্যার পর সৎ বাবা মশিউর পালিয়ে গেছে।