• মঙ্গলবার, এপ্রিল ০৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৪১ সকাল

আরও বাড়তে পারে শীত

  • প্রকাশিত ০৯:১৪ রাত ডিসেম্বর ২৭, ২০১৯
কুয়াশাচ্ছন্ন শীতের সকাল
ফাইল ছবি। সৈয়দ জাকির হোসেন/ ঢাকা ট্রিবিউন

শৈত্যপ্রবাহ ও বৃষ্টির কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে

দেশের পঞ্চগড়, দিনাজপুর ও নীলফামারী অঞ্চল জুড়ে বয়ে যাওয়া মাঝারি মানের শৈত্যপ্রবাহ আরও তীব্র হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু কিছু এলাকায় হালকা অথবা ঝিরিঝিরি বৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করায় খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগের কয়েক জায়গায় হালকা অথবা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

পাশাপাশি, দেশের বেশ কিছু অঞ্চলে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং মাঝরাত থেকে সকাল ও রাতের তাপমাত্রা হ্রাস পেতে পারে।

এদিকে শৈত্যপ্রবাহ ও বৃষ্টির কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। গত চার দিনের মধ্যে, এবছরের সবচেয়ে কম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ে। তেঁতুলিয়ায় বৃহস্পতিবার সকালে তাপমাত্রা ৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস নেমে আসে। শুক্রবার সকালে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এরইমধ্যে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৪০ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। কিন্তু তা এ জেলার বিশাল শীতার্ত দরিদ্র মানুষের তুলনায় অনেক কম। জেলার হাসপাতালগুলোতে শীত ও শীতজনিত কারণে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। বুধবার সরকার প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, গত ১ নভেম্বর থেকে ২৪ ডিসেম্বরের মধ্যে পঞ্চগড়ে ২ হাজার ২৭৪ জন মানুষ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এসময়ে পঞ্চগড়ে শীতজনিত রোগে কমপক্ষে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।