• সোমবার, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:০৬ দুপুর

ধর্ষণের স্থান চিহ্নিত, আলামত সংগ্রহ করছে সিআইডি

  • প্রকাশিত ০৩:৪৪ বিকেল জানুয়ারী ৬, ২০২০
ঢাবি-র্ধষণ
সোমবার সকালে ধর্ষণের স্থান চিহ্নিত করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ঢাকা ট্রিবিউন

‘ঘটনাস্থলে ভিকটিমের হাতঘড়ি, পরিধেয় বস্ত্র, ২টি ইনহেলার ও কিছু কাগজপত্র পাওয়া গেছে। আলামত হিসেবে সিআইডি সেগুলো সংগ্রহ করেছে’

রাজধানীর কুর্মিটোলা এলাকায় রাস্তার পাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণের স্থান চিহ্নিত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সোমবার (৬ জানুয়ারি) সকালে ধর্ষণের স্থান চিহ্নিত করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

এ সময় ক্যান্টনমেন্ট  থানা পুলিশ, ডিবি ও সিআইডির ক্রাইমসিন ইউনিট অপরাধ সংঘঠনের স্থান থেকে আলামত সংগ্রহ করেন।

পুলিশের গুলশান জোনের ডিসি সুদীপ কুমার চক্রবর্তী ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, “ঘটনাস্থলে ভিকটিমের হাতঘড়ি, পরিধেয় বস্ত্র, ২টি ইনহেলার, কিছু কাগজপত্র পাওয়া গেছে। আলামত হিসেবে সিআইডি সেগুলো সংগ্রহ করেছে।”

তিনি বলেন, “ওই ছাত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী একজন ধর্ষক ছিল। তার কোনো আলামত আমরা পাইনি। তবে আশপাশে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরা, প্রযুক্তি সহায়তা, সোর্স নিয়োগের মাধ্যমে তদন্ত শুরু করেছি।”


আরও পড়ুন - ঢাবি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ: আন্দোলনকারীদের শাহবাগ অবরোধ


ডিসি আরও বলেন, “এই এলাকায় তেমন জনসমাগম দেখা যায় না। ব্যস্ততম সড়ক, সবাই যাওয়া-আসার মধ্যে থাকে, কেউ থামে না। এটা ক্রাইম হওয়ার মতো জায়গা ছিল না। কিছু হয়তো ঘাস ও গাছ ছিল, ধর্ষক সেই সুবিধা নিয়েছে।”

এ এলাকায় প্রায়ই ছিনতাইয়ের ঘটনা শোনা যায় এবং এই ঝোপঝাড়ের কারণে সেটা হয় কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “মহাখালী থেকে বিমানবন্দর যাওয়ার পথে প্রধান সড়কের পাশে থাকা ফুটপাতের সড়ক বিভাগের বর্ধিত জায়গা। ফুটপাতের পর সৌন্দর্য বর্ধনের ফুলগাছ রয়েছে। এরপর মেহগনি গাছসহ ঝোপঝাড়। সেখানে ধর্ষণ করা হয়। এ এলাকায় সার্বক্ষণিক পুলিশ পেট্রোল থাকে, আমরাও নিয়মিত টহল দেই। পাশে গলফ গার্ডেন আছে, এয়ারপোর্ট কাছেই, ফলে নিরাপত্তা বিষয়টি দেখা হয়।”


আরও পড়ুন - রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ঢাবি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ


প্রসঙ্গত, রবিবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে শেওড়ার উদ্দেশে রওনা দেন ধর্ষণের শিকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই শিক্ষার্থী। সন্ধ্যা সাতটার দিকে ভুল করে তিনি শেওড়ার আগের স্টপেজে বাস থেকে নেমে যান। এ সময় অজ্ঞাত এক ব্যক্তি তার মুখ চেপে ধরে রাস্তার পাশে ঝোপঝাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ওই শিক্ষার্থীর ভাষ্য অনুযায়ী ঘটনাটি ঘটে সন্ধ্যা সাতটা থেকে আটটার মধ্যে। পরে রাত ১০টার জ্ঞান ফিরলে ওই শিক্ষার্থী সিএনজি নিয়ে বান্ধবীর বাসায় যান। সেখান থেকে বান্ধবীসহ অন্য সহপাঠীরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।