• শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৫৪ দুপুর

ধর্ষিত কিশোরীর আত্মহত্যা

  • প্রকাশিত ০৯:০৬ রাত জানুয়ারী ৬, ২০২০
যৌন হেনস্থা
প্রতীকী ছবি

ওই কিশোরীর মায়ের অভিযোগ, ধর্ষণের শিকার হয়ে লোকলজ্জার ভয়েই সে আত্মহননের পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে

পঞ্চগড়ে ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী (১৩) ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর লোকলজ্জার ভয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক পলাশকে (২০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৬ জানুয়ারি) সদর উপজেলার গরিণাবাড়ি ইউনিয়নে ঘটনাটি ঘটে। আর ধর্ষণ ও আত্মহত্যার প্ররোচনায় ওই কিশোরীর মায়ের করা মামলায় বিকেলেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ, এলাকাবাসী ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ভোররাতের দিকে ওই শিক্ষার্থীকে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করছিল অভিযুক্ত যুবক। প্রথমে টের না পেলেও নামাজ পড়তে ঘুম থেকে উঠলে বিষয়টি নজরে আসে ওই কিশোরীর মায়ের। বিষয়টি বুঝতে পেরে তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে পালিয়ে যায় ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত পলাশ।

অভিযুক্ত যুবক পেশায় রাজমিস্ত্রী।

এদিকে, ভোর হলে বিষয়টি স্থানীয়দের জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে মেয়েকে নিজের কাছে রেখে শুয়ে পড়েন মা। সাড়ে ৬টার দিকে ঘুম ভেঙে মেয়েকে ঘরে দেখতে না পেয়ে বাইরে নামলে একটি গাছের ডালে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তার মরদেহ ঝুলতে দেখেন তিনি। তার চিৎকারে জড়ো হয় স্থানীয় লোকজন।

পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে তারা মরদেহ উদ্ধার করে।

ওই কিশোরীর মায়ের অভিযোগ, বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার পথে প্রায়ই তার মেয়েকে উত্যক্ত করতো পলাশ। ধর্ষণের শিকার হয়ে লোকলজ্জার ভয়েই সে আত্মহননের পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে।

আত্মহত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, ধর্ষণ ও আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে পলাশের বিরুদ্ধে ওই কিশোরীর মা মামলা করেছেন। তবে মামলার আগেই অভিযুক্তকে তার বাড়ি থেকে আটক করা হয়।

তবে, থানা হাজতে থাকা আসামি পলাশের দাবি, বছরখানেক ধরে মেয়েটির সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। রবিবার দিবাগত রাত থেকে সোমবার ভোররাত পর্যন্ত তারা একসঙ্গে ছিল। মায়ের সঙ্গে ঝগড়া সে আত্মহত্যা করেছে।