• বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:০৮ সকাল

শালিকের অভয়াশ্রম কুষ্টিয়ার মিরপুর বাজার

  • প্রকাশিত ০৫:১৫ সন্ধ্যা জানুয়ারী ১১, ২০২০
শালিক-মিরপুর-কুষ্টিয়া
ভোরের আলো ফুটতেই কুষ্টিয়ার মিরপুর বাজার ও এর আশপাশের এলাকায় ঝাঁকে ঝাঁকে নেমে আসে শালিক পাখির দল। ঢাকা ট্রিবিউন

প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কুষ্টিয়ার মিরপুর বাজার ও এর আশেপাশের এলাকায় অবস্থান করে ঝাঁকে ঝাঁকে নেমে আসা শালিক পাখির দল

ভোরের আলো ফুটতেই কুষ্টিয়ার মিরপুর বাজার ও এর আশপাশের এলাকায় ঝাঁকে ঝাঁকে নেমে আসে শালিক পাখির দল। কিচির মিচির শব্দে মাতিয়ে তোলে পুরো এলাকা। খাবারের সন্ধানে এসব শালিকদের দিনের অধিকাংশ সময় কাটে মিরপুর বাজার ও এর নিকটবর্তী বাগানগুলোতে।

বিগত কয়েকবছর ধরেই কুষ্টিয়ার মিরপুর বাজারে নিয়মিত এই দৃশ্যের অবতারণা হয়। বিশেষ করে শীতের সময় এই দৃশ্য আরও বেশি দেখা যায়। ক্রমেই শালিক পাখির অভয়ারণ্য হয়ে উঠেছে কুষ্টিয়ার মিরপুর বাজার। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খাবারের সন্ধানে মিরপুর বাজার ও এর আশেপাশের এলাকায় অবস্থান করে ঝাঁকে ঝাঁকে নেমে আসা শালিক পাখির দল।

তবে, এত পাখির সমাগমে বিরক্ত হন না এলাকার মানুষ। উল্টে পাখিদের নিজেদের সাধ্য অনুযায়ী খাবার দেন স্থানীয়রা। স্থানীয় রফিক কসমেটিকের মালিক রফিকুল ইসলাম জানান, "অনেক সময় শালিকের বিষ্ঠায় আমাদের দোকান নোংরা হয়ে যায়। তারপরও আমরা পাখিদের কোনও ক্ষতি না করার চেষ্টা করি। এসব পাখি রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।"

কুষ্টিয়ার মিরপুর বাজারে শালিক পাখিদের খাবার দিচ্ছেন এক দোকানের কর্মচারী। ঢাকা ট্রিবিউন

হোটেল কর্মচারী রমেন কুমার পাল বলেন, "প্রতিদিন আমাদের হোটেলের উদ্বৃত্ত খাবার পাখিদের দেওয়া হয়। পাখিরা সব ধরনের খাবার খায়। তাই পাখিদের খাওয়াতে আমাদের আলাদা কোনও কষ্ট করতে হয় না।" 

জানা যায়, যেসব সময়ে বিশেষ করে শীতকালে শস্যক্ষেতে খাবারের সংকট দেখা দিলে পাখিরা লোকালয়ে নেমে আসে। মিরপুর বাজারের চা বিক্রেতা ইসা হক জানান, প্রায় পুরো শীতজুড়েই এসব পাখি এখানে থাকে। পাখিদের স্থানীয়রা বিভিন্ন খাবার দেয়। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পাখিরা বিভিন্ন দোকানের সামনে খাবারের জন্য থাকে। মুলত মাঠে খারারের উৎস কমে গেলে পাখিরা তখন এসব এলাকায় আসে।অন্যান্য সময় যখন মাঠে ধান, গম, পোকামাকড় ইত্যাদি খাবার থাকে তখন এদিকে পাখিও কম আসে।