• সোমবার, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৪০ রাত

প্রতি নবজাতকের জন্য একটি করে গাছ লাগানোর প্রস্তাব তথ্যমন্ত্রীর

  • প্রকাশিত ০৮:০৮ রাত জানুয়ারী ১১, ২০২০
ড. হাছান মাহমুদ
শনিবার (১১ জানুয়ারি) "চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের"পুণর্মিলনী অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদকে সম্মাননা দেওয়া হয়। ঢাকা ট্রিবিউন

'উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চালাতে গিয়ে যেন পরিবেশ-প্রকৃতি যাতে নষ্ট এবং নান্দনিকতা যেন দৃষ্টিকটু না হয়, সেটি মাথায় রাখতে হবে'

পরিবেশ রক্ষায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জন্ম নেওয়া প্রতি নবজাতকের জন্য একটি করে গাছ লাগানোর প্রস্তাব করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। শনিবার (১১ জানুয়ারি) "চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের" পুনর্মিলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এই প্রস্তাব করেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, "চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যতো নবজাতকের জন্ম হবে, তাদের নামে যেন একটি করে গাছ লাগানো হয়। সেজন্য একটি এলাকাকে নির্ধারণ করে এই কাজ করতে হবে। সেক্ষেত্রে ফরেস্ট্রি ডিপার্টমেন্ট সহায়তা করতে পারে।"

"এটি যদি আপনারা করেন, তাহলে আপনারা বাংলাদেশে প্রথম কর্তৃপক্ষ হবেন, এই কাজটি করার ক্ষেত্রে। অনেকেই চাইলেও এই কাজটি করতে পারবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাইলেও পারবে না, কারণ তাদের গাছ লাগানোর জায়গা নেই", যোগ করেন তিনি।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা প্রসঙ্গে ড. হাছান তার বক্তব্যে আরও বলেন, "পাহাড় কেটে এভাবে রাস্তা করা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। চট্টগ্রাম শহরের সৌন্দর্য্য হচ্ছে পাহাড়। তাই পাহাড় সংরক্ষণ করে এবং পাহাড়ের অবস্থান বজায় রেখে উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করা উচিৎ।"

তথ্যমন্ত্রী বলেন, "আমি অত্যন্ত আশ্চর্য হয়েছি, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) মতো একটি প্রতিষ্ঠান যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের নামে রাস্তা বানাতে গিয়ে আজ থেকে প্রায় দুই বছর আগে এশিয়ান উইমেন ইউনিভার্সিটির পাশে ৩শ’ ফুট পাহাড় কেটে সমতল করে ফেলেছে। এটি আমাকে প্রচণ্ড পীড়া দিয়েছে।

চট্টগ্রামে উন্নয়ন কার্যক্রমের সময় পরিবেশ রক্ষার বিষয়টি চিন্তা-ভাবনা করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানিয়ে ড. হাছান আরও বলেন, "ভবন বানাতে গিয়ে, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চালাতে গিয়ে যেন পরিবেশ-প্রকৃতি যাতে নষ্ট এবং নান্দনিকতা যেন দৃষ্টিকটু না হয়, সেটি মাথায় রাখতে হবে।"

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর শিরীন আখতারের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল এস. এম. মতিউর রহমান, নেদারল্যান্ডসে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শেখ মোহাম্মদ বেলাল, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন, ফরেস্ট্রি’র এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জসিম উদ্দিন প্রমুখ বক্তৃতা করেন।