• বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:২৭ রাত

শেষ হলো দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বৃহৎ মাগুরার ঘোড়দৌড় ও পৌষমেলা

  • প্রকাশিত ০৬:০১ সন্ধ্যা জানুয়ারী ১৩, ২০২০
মাগুরা
১২০ বছর ধরে মেলা ও ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ঢাকা ট্রিবিউন

মাগুরা ও আশেপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ২৮টি ঘোড়া এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়

মাগুরার মহম্মদপুরে নানা আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বৃহৎ ঐতিহ্যবাহী বড়রিয়া ঘোড়দৌড় ও পৌষ মেলা। প্রায় ১২০ বছর ধরে বাংলা পৌষ মাসের ২৮ ও ২৯ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে এই মেলা।

রবিবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে ঐতিহ্যবা ম

এর আগে মেলা উপলক্ষে সজ্জিত করা হয়েছিল বড়রিয়াসহ আশেপাশের অন্তত ৫০ গ্রাম। এলাকার বাড়িতে বাড়িতেও চলে নানা আয়োজন। ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে কয়েক লাখ মানুষের সমাগম হয় এ মেলায়।

মেলার প্রধান আকর্ষণ ঘোড়দৌড় দেখার জন্য সকাল থেকে মেলামুখী মানুষের ঢল নামে। ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয় বিকেল ৩টায়। আশেপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ২৮টি ঘোড়া এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। এবারের প্রতিযোগিতায় মাগুরার মাইজপাড়ার সোবহান সরদারের ঘোড়া প্রথম, পারলা শিরগ্রামের কুদ্দুস ঘোড়া দ্বিতীয়, ও নাওভাঙ্গার কাজী হাবিবের ঘোড়া তৃতীয় স্থান অর্জন করে। ঘৌড়দৌড় শেষে মেলা কমিটির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান খাঁন জাহাঙ্গীর আলম বাচ্চু অন্যান্য অতিথিদের উপস্থিতিতে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

মেলা উপলক্ষে কয়েক লাখ মানুষের সমাগম ঘটে। ঢাকা ট্রিবিউনমেলাকে কেন্দ্র করে উপজেলার বালিদিয়া ইউনিয়নের বড়রিয়া গ্রামে প্রায় চার বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বসে স্টল। চারুকারু, কাঠ-বাঁশ, বেত আসবাবপত্র, তৈজসপত্র, মাছসহ রকমারি খাদ্যপণ্যের পসরা সাজিয়ে হাজারো স্টল ও পুরো মেলা জুড়ে চলে ক্রেতা-বিক্রেতার মিলন মেলা। মাগুরাসহ আসপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে কয়েক লাখ মানুষ সমাগত হয় এই মেলায়। মূল মেলা দুই দিন হলেও মেলার আগে ও পরে পক্ষকালব্যাপী চলে মেলার কেনা-বেচা।

মিষ্টি বিক্রেতা রমেশ চন্দ্র ঘোষ জানান, প্রতি বছর তিনি মেলায় মিষ্টির স্টল দিয়ে থাকেন। এ মেলায় যারা আসেন সবাই মিষ্টি কেনেন। তিনি এক হাজার মণ মিষ্টি বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন।