• শুক্রবার, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২০
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০৩ সকাল

সরকারি পাটকলে অস্থায়ী শ্রমিকদের কাজ বন্ধ, বাড়ছে অসন্তোষ

  • প্রকাশিত ১০:৩৭ সকাল জানুয়ারী ১৭, ২০২০
খুলনা পাটকল
খুলনার পাটকলে কর্মরত শ্রমিক ঢাকা ট্রিবিউন

'সহকর্মী বদলি শ্রমিকদের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তাদের বেকারত্ব আমাদের আনন্দকে ম্লান করে দিয়েছে'

খুলনা অঞ্চলের সরকারি পাটকলগুলোর স্থায়ী শ্রমিকরা কাংক্ষিত মজুরি স্কেল-২০১৫ এর মজুরি স্লিপ পেয়েছেন ১৬ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার। কিন্তু চলতি মাস থেকে পাটকলগুলোর অস্থায়ী (চুক্তিভিত্তিক বদলি শ্রমিক) শ্রমিকদের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। উৎপাদন কম হওয়ার কারণে বাংলাদেশ জুট মিল কর্পোরেশন (বিজেএমসি) কতৃপক্ষ এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে খুলনা যশোরের ৯ পাটকলে প্রায় ১০ হাজার বদলি শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন।

এতে অস্থায়ী শ্রমিকদের মাঝে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

খুলনার প্লাটিনাম জুট মিলের মহাব্যবস্থাপক মো. গোলাম রব্বানী বলেন, সম্প্রতি বিজেএমসি থেকে একটি চিঠি দিয়ে মিলে উৎপাদন কম থাকায় বদলি শ্রমিকদের কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। সে অনুযায়ী বদলি শ্রমিকদের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এই কারখানার শ্রমিক আনোয়ার হোসেন বলেন, স্থায়ী শ্রমিক হিসেবে স্লিপ পেয়েছি। আমরা খুশি। কিন্তু আমাদের সহকর্মী বদলি শ্রমিকদের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তাদের বেকারত্ব আমাদের আনন্দকে ম্লান করে দিয়েছে।

প্লাটিনাম জুট মিলের সিবিএ সভাপতি শাহানা শারমিন বলেন, স্লিপ পাওয়া শ্রমিকরা আগামী সপ্তাহের মধ্যে টাকা হাতে পাবে বলে আশা করছি। তবে সম্প্রতি একটি চিঠির মাধ্যমে মিলের বদলি শ্রমিকদের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্থায়ী শ্রমিকের অবর্তমানে এই বদলি শ্রমিকরা কাজ করে।

প্লাটিনাম জুট মিল সিবিএ’র সাবেক সভাপতি মো. খলিলুর রহমান বলেন, ১১ দফা দাবির মধ্যে একটি বাস্তবায়ন হয়েছে। বাকি ১০ দফা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করতে হবে। পাটকলে আধুনিক মেশিন বসালে উৎপাদন ক্ষমতা ৩-৪ গুণ বেড়ে যাবে।

বিজেএমসির খুলনা জোনের সমন্বয়কারী বনিজ উদ্দিন মিয়া বলেন, শুধু খুলনা অঞ্চলে না, বিজেএমসির নির্দেশনায় দেশের সব সরকারি পাটকলে বদলি শ্রমিকদের কাজ বন্ধ রয়েছে। খুলনা যশোরের ৯টি পাটকলে বদলি শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। আর স্থায়ী শ্রমিক রয়েছে ৩ হাজার। মিলগুলোতে উৎপাদন কম। তাই বদলি শ্রমিকের কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেএমসি কর্তৃপক্ষ।